“জন্ম থেকেই দৃষ্টিহীন, তবুও থামেনি স্বপ্ন— বাবার ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে চাকরির আশায় ঢাবি শিক্ষার্থী রাজিয়া”
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার মেয়ে রাজিয়া জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে দৃষ্টি না থাকলেও জীবনের কাছে হার মানেননি তিনি। অন্ধকারকে সঙ্গী করেই চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা, আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমে জায়গা করে নিয়েছেনহ স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ।
কিন্তু শিক্ষাজীবনের এই অর্জনের পরও থেমে নেই জীবনের সংগ্রাম। রাজিয়ার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, যিনি বর্তমানে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগে আক্রান্ত। অর্থের অভাবে তার নিয়মিত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। প্রতিবন্ধী ভাতা ও বাবার মুক্তিযোদ্ধা ভাতার সামান্য অর্থে কোনোভাবে চলছে সংসার। একদিকে অসুস্থ বাবার চিকিৎসা, অন্যদিকে সংসারের চাপ—সবকিছু যেন এসে ভর করেছে রাজিয়ার কাঁধে।
তবুও হাল ছাড়েননি রাজিয়া। প্রতিকূলতাকে জয় করেই সামনে এগিয়ে যেতে চান তিনি। রাজিয়া ও এলাকাবাসীর দাবি, মেয়েটির জন্য একটি চাকরির ব্যবস্থা হলে হয়তো পরিবারটি নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে, পাশাপাশি বাবার চিকিৎসাও চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
রাজিয়ার জীবন যেন প্রমাণ করে—স্বপ্ন দেখতে চোখ নয়, প্রয়োজন সাহস আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
“জন্ম থেকেই দৃষ্টিহীন, তবুও থামেনি স্বপ্ন— বাবার ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে চাকরির আশায় ঢাবি শিক্ষার্থী রাজিয়া”
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার মেয়ে রাজিয়া জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে দৃষ্টি না থাকলেও জীবনের কাছে হার মানেননি তিনি। অন্ধকারকে সঙ্গী করেই চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা, আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমে জায়গা করে নিয়েছেনহ স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ।
কিন্তু শিক্ষাজীবনের এই অর্জনের পরও থেমে নেই জীবনের সংগ্রাম। রাজিয়ার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, যিনি বর্তমানে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগে আক্রান্ত। অর্থের অভাবে তার নিয়মিত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। প্রতিবন্ধী ভাতা ও বাবার মুক্তিযোদ্ধা ভাতার সামান্য অর্থে কোনোভাবে চলছে সংসার। একদিকে অসুস্থ বাবার চিকিৎসা, অন্যদিকে সংসারের চাপ—সবকিছু যেন এসে ভর করেছে রাজিয়ার কাঁধে।
তবুও হাল ছাড়েননি রাজিয়া। প্রতিকূলতাকে জয় করেই সামনে এগিয়ে যেতে চান তিনি। রাজিয়া ও এলাকাবাসীর দাবি, মেয়েটির জন্য একটি চাকরির ব্যবস্থা হলে হয়তো পরিবারটি নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে, পাশাপাশি বাবার চিকিৎসাও চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
রাজিয়ার জীবন যেন প্রমাণ করে—স্বপ্ন দেখতে চোখ নয়, প্রয়োজন সাহস আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি।

আপনার মতামত লিখুন