কুড়িগ্রামের মহাসড়ক যেন ফসলের চাতাল: ধান-ভুট্টা ও খড়ের দখলে মরণফাঁদে পরিণত
হাসান মাহমুদ জয়, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে ফসল শুকানোর মহোৎসব। আজ সোমবার সকাল থেকেই দেখা গেছে, সোনাহাট স্থলবন্দরগামী গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের দুই পাশ জুড়ে ধান, ভুট্টা ও খড় বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও ধান মাড়াইয়ের বিশালাকার মেশিন সরাসরি সড়কের ওপর বসিয়ে কাজ করা হচ্ছে, যা সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সরেজমিনে দেখা যায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই কৃষকরা মহাসড়ককে ফসল শুকানোর চাতাল হিসেবে ব্যবহার করছেন। রাস্তার একাংশ দখল করে খড় ও ধান রাখায় যানবাহন চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সোনাহাট স্থলবন্দরের ভারী ট্রাক ও লরিগুলো যখন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা ছোট যানবাহনের জন্য কোনো জায়গা অবশিষ্ট থাকে না। দুর্ঘটনার প্রবল ঝুঁকি রাস্তায় বিছিয়ে রাখা ধান ও খড়ের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল বা বাইসাইকেল চালাতে গিয়ে চাকা পিছলে অহরহ ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষে ঝরে যেতে পারে অমূল্য প্রাণ। স্থানীয়রা আক্ষেপ করে বলেন, "কার ভুলে কখন কোন মায়ের কোল খালি হয় তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। রাস্তা এখন মেলার মাঠ হয়ে গেছে, অথচ নজরদারি করার কেউ নেই।"প্রশাসনের নীরব ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কে এমন বিশৃঙ্খলা চললেও এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর নির্দেশনা বা পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। ভারী যানবাহন চলাচলের এই রুটটি এভাবে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। দাবি ও প্রত্যাশা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। অবিলম্বে সড়ক থেকে মাড়াই মেশিন ও ফসল অপসারণ করে সোনাহাট স্থলবন্দরগামী এই রুটটি নির্বিঘ্ন করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
কুড়িগ্রামের মহাসড়ক যেন ফসলের চাতাল: ধান-ভুট্টা ও খড়ের দখলে মরণফাঁদে পরিণত
হাসান মাহমুদ জয়, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে ফসল শুকানোর মহোৎসব। আজ সোমবার সকাল থেকেই দেখা গেছে, সোনাহাট স্থলবন্দরগামী গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের দুই পাশ জুড়ে ধান, ভুট্টা ও খড় বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও ধান মাড়াইয়ের বিশালাকার মেশিন সরাসরি সড়কের ওপর বসিয়ে কাজ করা হচ্ছে, যা সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সরেজমিনে দেখা যায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই কৃষকরা মহাসড়ককে ফসল শুকানোর চাতাল হিসেবে ব্যবহার করছেন। রাস্তার একাংশ দখল করে খড় ও ধান রাখায় যানবাহন চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সোনাহাট স্থলবন্দরের ভারী ট্রাক ও লরিগুলো যখন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা ছোট যানবাহনের জন্য কোনো জায়গা অবশিষ্ট থাকে না। দুর্ঘটনার প্রবল ঝুঁকি রাস্তায় বিছিয়ে রাখা ধান ও খড়ের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল বা বাইসাইকেল চালাতে গিয়ে চাকা পিছলে অহরহ ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষে ঝরে যেতে পারে অমূল্য প্রাণ। স্থানীয়রা আক্ষেপ করে বলেন, "কার ভুলে কখন কোন মায়ের কোল খালি হয় তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। রাস্তা এখন মেলার মাঠ হয়ে গেছে, অথচ নজরদারি করার কেউ নেই।"প্রশাসনের নীরব ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কে এমন বিশৃঙ্খলা চললেও এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর নির্দেশনা বা পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। ভারী যানবাহন চলাচলের এই রুটটি এভাবে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। দাবি ও প্রত্যাশা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। অবিলম্বে সড়ক থেকে মাড়াই মেশিন ও ফসল অপসারণ করে সোনাহাট স্থলবন্দরগামী এই রুটটি নির্বিঘ্ন করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন