ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আজ (মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর) ১৪তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ১৩তম দিনে তিনজন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি দেন। তবে ৩৯তম সাক্ষী উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফুল ইসলামের জেরা হয়নি। আজ তাকে জেরা করবেন শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। এরপর নতুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, ২ সেপ্টেম্বর মামলার ৩৬তম সাক্ষী হিসেবে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেন। ৪ সেপ্টেম্বর তার জেরা শেষ হয়। তিনি আদালতে স্বীকার করেন যে, শেখ হাসিনা ও কামালের নির্দেশেই জুলাই-আগস্টে দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। এজন্য তিনি অনুশোচনা প্রকাশ করে ক্ষমা চান এবং অনেক অজানা তথ্য ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৩৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ ও নৃশংসতার বিস্তারিত বর্ণনা উঠে এসেছে। শহীদ পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। এর আগে, ১ সেপ্টেম্বর দশম দিনে ছয়জন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেন, যাদের মধ্যে চিকিৎসক, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলেন। ধারাবাহিকভাবেই চলমান রয়েছে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম। গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ এনেছে। মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা তথ্যসূত্র, ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠার জব্দকৃত দলিল-প্রমাণ, এবং ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠায় শহীদদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষীর তালিকা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত ১২ মে এই প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জমা দেয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আজ (মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর) ১৪তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ১৩তম দিনে তিনজন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি দেন। তবে ৩৯তম সাক্ষী উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফুল ইসলামের জেরা হয়নি। আজ তাকে জেরা করবেন শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। এরপর নতুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, ২ সেপ্টেম্বর মামলার ৩৬তম সাক্ষী হিসেবে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেন। ৪ সেপ্টেম্বর তার জেরা শেষ হয়। তিনি আদালতে স্বীকার করেন যে, শেখ হাসিনা ও কামালের নির্দেশেই জুলাই-আগস্টে দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। এজন্য তিনি অনুশোচনা প্রকাশ করে ক্ষমা চান এবং অনেক অজানা তথ্য ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৩৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ ও নৃশংসতার বিস্তারিত বর্ণনা উঠে এসেছে। শহীদ পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। এর আগে, ১ সেপ্টেম্বর দশম দিনে ছয়জন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেন, যাদের মধ্যে চিকিৎসক, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলেন। ধারাবাহিকভাবেই চলমান রয়েছে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম। গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ এনেছে। মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা তথ্যসূত্র, ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠার জব্দকৃত দলিল-প্রমাণ, এবং ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠায় শহীদদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষীর তালিকা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত ১২ মে এই প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জমা দেয়।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল