‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াতের পর ক্যান্সার উধাও, পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ বললেন—‘এটা আল্লাহর মিরাকল’
পাকিস্তানের জনপ্রিয় প্রবীণ অভিনেতা নওমান ইজাজ সম্প্রতি তার ক্যান্সার শনাক্ত হওয়া এবং পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে ওঠার এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, তার শরীরে ক্যান্সার ও টিউমার শনাক্ত হওয়ার পর নিয়মিত ‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াত শুরু করেন। এরপর পুনরায় পরীক্ষায় চিকিৎসকরা তার শরীরে ক্যান্সার বা টিউমারের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি বলে জানান তিনি।
নওমান ইজাজের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনে তার কানের কাছে একটি টিউমার এবং পেটে লিম্ফোমা ধরা পড়ে। পরবর্তীতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর চিকিৎসকরা তাকে কেমোথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেন।
রোগ ধরা পড়ার পর মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তির জন্য বন্ধু গোহর বাটের পরামর্শে তিনি প্রতিদিন নিয়মিত ‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াত শুরু করেন।
অভিনেতা জানান, ২৩ জুলাই তার প্রথম কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগের দিন, ২২ জুলাই পুনরায় পরীক্ষা করা হলে স্ক্যানে তার শরীরে ক্যান্সার বা অন্য কোনো টিউমারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকরা তাকে জানান।
এরপর তার কেমোথেরাপি বাতিল করা হয় বলে জানান নওমান ইজাজ। নিজের সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে তিনি আল্লাহর বিশেষ রহমত এবং ‘জীবন্ত মিরাকল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
নওমান ইজাজ আরও জানান, সেই ঘটনার পর থেকে ‘সূরা আর-রহমান’ তার দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। প্রতিদিন নিয়ম করে তিনি এই সূরা তিলাওয়াত করেন।
তার এই অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা অনুসরণ করা জরুরি—ধর্মীয় আমল ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াতের পর ক্যান্সার উধাও, পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ বললেন—‘এটা আল্লাহর মিরাকল’
পাকিস্তানের জনপ্রিয় প্রবীণ অভিনেতা নওমান ইজাজ সম্প্রতি তার ক্যান্সার শনাক্ত হওয়া এবং পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে ওঠার এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, তার শরীরে ক্যান্সার ও টিউমার শনাক্ত হওয়ার পর নিয়মিত ‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াত শুরু করেন। এরপর পুনরায় পরীক্ষায় চিকিৎসকরা তার শরীরে ক্যান্সার বা টিউমারের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি বলে জানান তিনি।
নওমান ইজাজের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনে তার কানের কাছে একটি টিউমার এবং পেটে লিম্ফোমা ধরা পড়ে। পরবর্তীতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর চিকিৎসকরা তাকে কেমোথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেন।
রোগ ধরা পড়ার পর মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তির জন্য বন্ধু গোহর বাটের পরামর্শে তিনি প্রতিদিন নিয়মিত ‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াত শুরু করেন।
অভিনেতা জানান, ২৩ জুলাই তার প্রথম কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগের দিন, ২২ জুলাই পুনরায় পরীক্ষা করা হলে স্ক্যানে তার শরীরে ক্যান্সার বা অন্য কোনো টিউমারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকরা তাকে জানান।
এরপর তার কেমোথেরাপি বাতিল করা হয় বলে জানান নওমান ইজাজ। নিজের সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে তিনি আল্লাহর বিশেষ রহমত এবং ‘জীবন্ত মিরাকল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
নওমান ইজাজ আরও জানান, সেই ঘটনার পর থেকে ‘সূরা আর-রহমান’ তার দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। প্রতিদিন নিয়ম করে তিনি এই সূরা তিলাওয়াত করেন।
তার এই অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা অনুসরণ করা জরুরি—ধর্মীয় আমল ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন