বিষবীজের ফসল
তুমি যে আগুন জ্বেলেছিলে
অন্যের উঠোন পোড়াতে,
আজ সেই আগুনের ধোঁয়াই
তোমার চোখে জল আনে।
তুমি যে বিষ বুনেছিলে
অন্যের পথের ধারে,
আজ সেই বিষলতা
বড্ড আপন হয়ে
জড়িয়ে ধরেছে
তোমারই পায়ে—
কী চমৎকার ফলন, বলো!
প্রতিহিংসার বীজ বুনে
তুমি ভেবেছিলে—
অন্যের ডানা ভেঙে দিলে
তোমার আকাশ বড় হবে!
বাহ্, কী দারুণ হিসাব!
অন্যের আকাশ কাটতে গিয়ে
নিজের জানালাটাই
তুমি বন্ধ করে ফেললে।
তারপর যে পাথর ছুড়েছিলে
অন্যের জানালায়,
তার প্রতিধ্বনি ফিরে এসে
তোমার নিজের ঘুম ভাঙায়—
পাথরটি বোধহয়
ঠিকানাটা ভুল করেনি!
অন্যকে থামাতে থামাতে
নিজের পথটাই থেমে গেছে—
হাত আছে,
অথচ মুঠোয় শক্তি নেই;
পা আছে,
অথচ এগোনোর পথ নেই।
বাহ্, কী অপূর্ব বিজয়!
অন্যের পায়ে শিকল পরাতে গিয়ে
নিজের পথেই
শিকল গেঁথে ফেলেছ।
প্রতিহিংসার বীজে
নিজেই আজ পক্ষাঘাতগ্রস্ত—
অন্যকে হারানোর সাধনায়
নিজেকেই হারিয়ে বসেছ।
মনে রেখো—
প্রতিহিংসা কোনো বিজয় নয়,
এ এক ধীর বিষের পেয়ালা;
অন্যের জন্য তুললে ঠোঁটে,
শেষ চুমুকটা
নিজেকেই দিতে হয়।
লেখক———প্রিন্সিপাল বিল্লাল হোসেন।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিষবীজের ফসল
তুমি যে আগুন জ্বেলেছিলে
অন্যের উঠোন পোড়াতে,
আজ সেই আগুনের ধোঁয়াই
তোমার চোখে জল আনে।
তুমি যে বিষ বুনেছিলে
অন্যের পথের ধারে,
আজ সেই বিষলতা
বড্ড আপন হয়ে
জড়িয়ে ধরেছে
তোমারই পায়ে—
কী চমৎকার ফলন, বলো!
প্রতিহিংসার বীজ বুনে
তুমি ভেবেছিলে—
অন্যের ডানা ভেঙে দিলে
তোমার আকাশ বড় হবে!
বাহ্, কী দারুণ হিসাব!
অন্যের আকাশ কাটতে গিয়ে
নিজের জানালাটাই
তুমি বন্ধ করে ফেললে।
তারপর যে পাথর ছুড়েছিলে
অন্যের জানালায়,
তার প্রতিধ্বনি ফিরে এসে
তোমার নিজের ঘুম ভাঙায়—
পাথরটি বোধহয়
ঠিকানাটা ভুল করেনি!
অন্যকে থামাতে থামাতে
নিজের পথটাই থেমে গেছে—
হাত আছে,
অথচ মুঠোয় শক্তি নেই;
পা আছে,
অথচ এগোনোর পথ নেই।
বাহ্, কী অপূর্ব বিজয়!
অন্যের পায়ে শিকল পরাতে গিয়ে
নিজের পথেই
শিকল গেঁথে ফেলেছ।
প্রতিহিংসার বীজে
নিজেই আজ পক্ষাঘাতগ্রস্ত—
অন্যকে হারানোর সাধনায়
নিজেকেই হারিয়ে বসেছ।
মনে রেখো—
প্রতিহিংসা কোনো বিজয় নয়,
এ এক ধীর বিষের পেয়ালা;
অন্যের জন্য তুললে ঠোঁটে,
শেষ চুমুকটা
নিজেকেই দিতে হয়।
লেখক———প্রিন্সিপাল বিল্লাল হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন