ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ের নৃশংস হত্যা

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ের নৃশংস হত্যা
মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ের নৃশংস হত্যা: চার দিন আগে নেওয়া গৃহকর্মী আয়েশাই প্রধান সন্দেহভাজন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বহুতল ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মা লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে শাহজাহান রোডের ওই বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে চার দিন আগে কাজে যোগ দেওয়া গৃহকর্মী আয়েশাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বাভাবিকভাবে বোরখা পরে সকালে বাসায় প্রবেশ করলেও প্রায় দুই ঘণ্টা পর আয়েশাকে দেখা যায় স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বের হতে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়ের মধ্যেই চলছে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। পুলিশ বলছে, মা-মেয়ের ওপর যে ধরনের আঘাত করা হয়েছে, তা কোনো অভিজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত ঘাতকের কাজ বলেই মনে হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন নৃশংস সুরতহাল তারা দেখেননি বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, লায়লা আফরোজার শরীরজুড়ে মোট ৩০টি ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মুখমণ্ডল, গলা, দুই হাত, বুক, পেট ও তলপেটে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মেয়ে নাফিসার গলায় ৪টি বড় আঘাত এবং বুকের দুই পাশে আরও কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই দুজনের মৃত্যু হয়।   সোমবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।   ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। হত্যার আগে ও পরে গৃহকর্মীর আচরণ, উপস্থিতি এবং বাসা থেকে বের হওয়ার পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তার ভাষায়— “এই হত্যাকাণ্ডের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘাতক প্রশিক্ষিত। ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার আগে সে বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে মেয়ের স্কুলড্রেস পরে বেরিয়ে যায়। আমরা খুব দ্রুত এর নেপথ্যের কারণ উদঘাটন করতে পারব।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ের নৃশংস হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ের নৃশংস হত্যা: চার দিন আগে নেওয়া গৃহকর্মী আয়েশাই প্রধান সন্দেহভাজন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বহুতল ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মা লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে শাহজাহান রোডের ওই বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে চার দিন আগে কাজে যোগ দেওয়া গৃহকর্মী আয়েশাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বাভাবিকভাবে বোরখা পরে সকালে বাসায় প্রবেশ করলেও প্রায় দুই ঘণ্টা পর আয়েশাকে দেখা যায় স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বের হতে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়ের মধ্যেই চলছে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। পুলিশ বলছে, মা-মেয়ের ওপর যে ধরনের আঘাত করা হয়েছে, তা কোনো অভিজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত ঘাতকের কাজ বলেই মনে হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন নৃশংস সুরতহাল তারা দেখেননি বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, লায়লা আফরোজার শরীরজুড়ে মোট ৩০টি ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মুখমণ্ডল, গলা, দুই হাত, বুক, পেট ও তলপেটে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মেয়ে নাফিসার গলায় ৪টি বড় আঘাত এবং বুকের দুই পাশে আরও কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই দুজনের মৃত্যু হয়।   সোমবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।   ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। হত্যার আগে ও পরে গৃহকর্মীর আচরণ, উপস্থিতি এবং বাসা থেকে বের হওয়ার পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তার ভাষায়— “এই হত্যাকাণ্ডের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘাতক প্রশিক্ষিত। ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার আগে সে বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে মেয়ের স্কুলড্রেস পরে বেরিয়ে যায়। আমরা খুব দ্রুত এর নেপথ্যের কারণ উদঘাটন করতে পারব।”

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল