আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৮০
রমজান মাসের মধ্যেই আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান—এমন অভিযোগ উঠেছে। আফগান সূত্র জানিয়েছে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর চালানো এ হামলায় ধর্মীয় স্কুল, বেসামরিক বাড়ি ও মসজিদ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৮০ জনে দাঁড়িয়েছে।
আফগানিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যম TOLOnews জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং রাতভর আতঙ্কে কাটান স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক স্থানে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানানো হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা Xinhua-ও একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অতীতে পাকিস্তান সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং নিরাপত্তা হুমকির কথা বলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তা ও সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনের অজুহাতে এ ধরনের অভিযান চালানো হয়ে থাকে, যদিও এতে বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে।
রমজানের সময় এমন হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৮০
রমজান মাসের মধ্যেই আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান—এমন অভিযোগ উঠেছে। আফগান সূত্র জানিয়েছে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর চালানো এ হামলায় ধর্মীয় স্কুল, বেসামরিক বাড়ি ও মসজিদ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৮০ জনে দাঁড়িয়েছে।
আফগানিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যম TOLOnews জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং রাতভর আতঙ্কে কাটান স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক স্থানে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানানো হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা Xinhua-ও একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অতীতে পাকিস্তান সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং নিরাপত্তা হুমকির কথা বলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তা ও সশস্ত্র গোষ্ঠী দমনের অজুহাতে এ ধরনের অভিযান চালানো হয়ে থাকে, যদিও এতে বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে।
রমজানের সময় এমন হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন