৪ বছরের সংসার ভেঙে গেল! দেশে ফিরেই স্ত্রীর বিয়ের খবর জানলেন প্রবাসী
কাতার থেকে ফিরেই স্ত্রীকে অন্যের সঙ্গে পেলেন প্রবাসী, আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে ভেঙে গেল ৪ বছরের সংসার
কাতার থেকে দেশে ফিরেই নিজের ভেঙে যাওয়া সংসারের বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন প্রবাসী আব্দুল রহমান। তার দাবি, চার বছরের দাম্পত্য জীবন ও আড়াই বছরের একটি কন্যাসন্তান থাকা সত্ত্বেও বিদেশে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি কাতার থেকে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফিরে আসেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল রহমান বলেন, “আমাদের চার বছরের সংসার। আড়াই বছরের একটি মেয়ে আছে। আমি কাতার থেকে সরাসরি দেশে এসেছি শুধু সত্যটা জানার জন্য। গত রাতেই কাতার থেকে টিকিট কেটে দেশে ফিরেছি। আমার কাছে টিকিট, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। তাহলে আমার সংসার কেন ভেঙে গেল? আমার আড়াই বছরের নিষ্পাপ মেয়েটার কী দোষ ছিল? সে এখন তার মায়ের জন্য কাঁদছে।”
আব্দুল রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে যাওয়ার জন্য তিনি প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন। সংসারের ভবিষ্যৎ ভালো করার আশায় কাতারে গেলেও মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় দেশে ফিরে জানতে পারেন, তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে অন্য একজনের সঙ্গে চলে গেছেন এবং নিজের সন্তানকেও রেখে গেছেন।
তার দাবি, “তিন মাস আগে আমার স্ত্রী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। অথচ তার আগের দিন পর্যন্তও আমাদের সংসার স্বাভাবিক ছিল। পরে জানতে পারি, সে অন্যত্র বিয়ে করেছে। শুধু তাই নয়, আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাও করা হয়েছে।”
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়ে আব্দুল রহমান বলেন, “আমি কাতার থেকে সবকিছু ফেলে শুধু সত্যটা জানার জন্য দেশে এসেছি। আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট আমার ভেঙে যাওয়া সংসার আর আমার আড়াই বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে।”
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
৪ বছরের সংসার ভেঙে গেল! দেশে ফিরেই স্ত্রীর বিয়ের খবর জানলেন প্রবাসী
কাতার থেকে ফিরেই স্ত্রীকে অন্যের সঙ্গে পেলেন প্রবাসী, আড়াই বছরের সন্তানকে নিয়ে ভেঙে গেল ৪ বছরের সংসার
কাতার থেকে দেশে ফিরেই নিজের ভেঙে যাওয়া সংসারের বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন প্রবাসী আব্দুল রহমান। তার দাবি, চার বছরের দাম্পত্য জীবন ও আড়াই বছরের একটি কন্যাসন্তান থাকা সত্ত্বেও বিদেশে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি কাতার থেকে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফিরে আসেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল রহমান বলেন, “আমাদের চার বছরের সংসার। আড়াই বছরের একটি মেয়ে আছে। আমি কাতার থেকে সরাসরি দেশে এসেছি শুধু সত্যটা জানার জন্য। গত রাতেই কাতার থেকে টিকিট কেটে দেশে ফিরেছি। আমার কাছে টিকিট, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। তাহলে আমার সংসার কেন ভেঙে গেল? আমার আড়াই বছরের নিষ্পাপ মেয়েটার কী দোষ ছিল? সে এখন তার মায়ের জন্য কাঁদছে।”
আব্দুল রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে যাওয়ার জন্য তিনি প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন। সংসারের ভবিষ্যৎ ভালো করার আশায় কাতারে গেলেও মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় দেশে ফিরে জানতে পারেন, তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে অন্য একজনের সঙ্গে চলে গেছেন এবং নিজের সন্তানকেও রেখে গেছেন।
তার দাবি, “তিন মাস আগে আমার স্ত্রী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। অথচ তার আগের দিন পর্যন্তও আমাদের সংসার স্বাভাবিক ছিল। পরে জানতে পারি, সে অন্যত্র বিয়ে করেছে। শুধু তাই নয়, আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাও করা হয়েছে।”
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়ে আব্দুল রহমান বলেন, “আমি কাতার থেকে সবকিছু ফেলে শুধু সত্যটা জানার জন্য দেশে এসেছি। আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট আমার ভেঙে যাওয়া সংসার আর আমার আড়াই বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে।”
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন