আমার চোখের সামনে স্বামীকে মে/রে ফেলেছে” — কান্নায় ভেঙে পড়লেন মায়া বেগম
চাঁদাবাজির অপকর্ম দেখে ফেলায় স্বামীকে হ/ত্যা, স্ত্রী-সন্তানের সামনেই ‘অমানবিক নি/র্যা/ত/নের’ অভিযোগ
চুয়াডাঙ্গার চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তাদহ মোড়ে চাঞ্চল্যকর এক হ/ত্যা/কা/ণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। নি/হ/ত জুয়েলের স্ত্রী মায়া বেগমের দাবি, স্থানীয় কয়েকজনের চাঁদাবাজির অপকর্ম দেখে ফেলায় পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে হ/ত্যা করা হয়েছে।
মায়া বেগম জানান, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুক্তাদহ মোড়ের একটি চায়ের দোকানে তার স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা তাকেও দোকানের একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তার সন্তান ও তার সামনেই একই গ্রামের ইউসুফ, কাশেম, বাবু, সুমনসহ ৫-৬ জন মিলে জুয়েলের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মায়া বেগম বলেন, হামলাকারীরা তার স্বামীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নি/র্ম/মভাবে আ/ঘা/ত করে এবং অমানবিক নি/র্যা/ত/ন চালায়। তার দাবি, শুধুমাত্র চাঁদাবাজদের অপকর্ম দেখে ফেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রে/ফ/তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নি/হ/তের পরিবার। তবে অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
আমার চোখের সামনে স্বামীকে মে/রে ফেলেছে” — কান্নায় ভেঙে পড়লেন মায়া বেগম
চাঁদাবাজির অপকর্ম দেখে ফেলায় স্বামীকে হ/ত্যা, স্ত্রী-সন্তানের সামনেই ‘অমানবিক নি/র্যা/ত/নের’ অভিযোগ
চুয়াডাঙ্গার চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তাদহ মোড়ে চাঞ্চল্যকর এক হ/ত্যা/কা/ণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। নি/হ/ত জুয়েলের স্ত্রী মায়া বেগমের দাবি, স্থানীয় কয়েকজনের চাঁদাবাজির অপকর্ম দেখে ফেলায় পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে হ/ত্যা করা হয়েছে।
মায়া বেগম জানান, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুক্তাদহ মোড়ের একটি চায়ের দোকানে তার স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা তাকেও দোকানের একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তার সন্তান ও তার সামনেই একই গ্রামের ইউসুফ, কাশেম, বাবু, সুমনসহ ৫-৬ জন মিলে জুয়েলের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মায়া বেগম বলেন, হামলাকারীরা তার স্বামীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নি/র্ম/মভাবে আ/ঘা/ত করে এবং অমানবিক নি/র্যা/ত/ন চালায়। তার দাবি, শুধুমাত্র চাঁদাবাজদের অপকর্ম দেখে ফেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রে/ফ/তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নি/হ/তের পরিবার। তবে অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন