জুলাই গণহত্যা: সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও দমন-পীড়নে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)।
রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ জমা দেন বিএপির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
অভিযোগ দাখিলের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হলেও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকেও তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হাসিনুর রহমান আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি চাইলে সে সময় পদত্যাগ করতে পারতেন, কিন্তু সেটিও করেননি। ফলে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ (ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা) নীতির আওতায় তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না বলেই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করবে এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবেন।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ অভিযোগকারী পক্ষের দাবি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়া বা অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণহত্যা: সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও দমন-পীড়নে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)।
রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ জমা দেন বিএপির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
অভিযোগ দাখিলের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হলেও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকেও তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হাসিনুর রহমান আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি চাইলে সে সময় পদত্যাগ করতে পারতেন, কিন্তু সেটিও করেননি। ফলে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ (ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা) নীতির আওতায় তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না বলেই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করবে এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবেন।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ অভিযোগকারী পক্ষের দাবি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়া বা অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন