রাজমিস্ত্রি থেকে বিসিএস ক্যাডার: সংগ্রামের প্রতিটি ধাপ জয় করে অনুপ্রেরণার নাম জুয়েল আলী
দারিদ্র্য, অভাব আর জীবনের কঠিন বাস্তবতা কখনোই থামাতে পারেনি জুয়েল আলীকে। মাত্র আট বছর বয়সে দিনমজুর বাবাকে হারিয়ে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া এই তরুণ আজ ৪১তম বিসিএসে প্রকৌশলী ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
শৈশব থেকেই সংসারের অভাব-অনটনের কারণে বারবার পড়াশোনায় বাধা এসেছে। জীবিকার তাগিদে রাজমিস্ত্রির কাজ করেছেন, টিউশনি করিয়েছেন। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা এবং নিজের স্বপ্নকে কখনো বিসর্জন দেননি তিনি।
অদম্য পরিশ্রম, শিক্ষকদের সহযোগিতা, বিভিন্ন বৃত্তির সহায়তা এবং পরিবারের অকুণ্ঠ সমর্থনে জুয়েল আলী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর ৪১তম বিসিএসে প্রকৌশলী ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে প্রমাণ করেন, ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায় থাকলে দারিদ্র্য কখনোই সফলতার পথে বাধা হতে পারে না।
জুয়েল আলীর এই সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং দেশের হাজারো সংগ্রামী শিক্ষার্থীর জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা। তাঁর জীবনগাথা শেখায়—সততা, কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতাকে জয় করা সম্ভব।
মা-বাবার স্বপ্ন, শিক্ষকদের বিশ্বাস, স্ত্রীর সহযোগিতা এবং নিজের নিরলস প্রচেষ্টার সমন্বয়ে আজকের এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন জুয়েল আলী। তাঁর এই অর্জন দেশের তরুণদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে এবং সংগ্রাম চালিয়ে যেতে উৎসাহ জোগাবে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
রাজমিস্ত্রি থেকে বিসিএস ক্যাডার: সংগ্রামের প্রতিটি ধাপ জয় করে অনুপ্রেরণার নাম জুয়েল আলী
দারিদ্র্য, অভাব আর জীবনের কঠিন বাস্তবতা কখনোই থামাতে পারেনি জুয়েল আলীকে। মাত্র আট বছর বয়সে দিনমজুর বাবাকে হারিয়ে পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া এই তরুণ আজ ৪১তম বিসিএসে প্রকৌশলী ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
শৈশব থেকেই সংসারের অভাব-অনটনের কারণে বারবার পড়াশোনায় বাধা এসেছে। জীবিকার তাগিদে রাজমিস্ত্রির কাজ করেছেন, টিউশনি করিয়েছেন। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও শিক্ষার প্রতি ভালোবাসা এবং নিজের স্বপ্নকে কখনো বিসর্জন দেননি তিনি।
অদম্য পরিশ্রম, শিক্ষকদের সহযোগিতা, বিভিন্ন বৃত্তির সহায়তা এবং পরিবারের অকুণ্ঠ সমর্থনে জুয়েল আলী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর ৪১তম বিসিএসে প্রকৌশলী ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে প্রমাণ করেন, ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায় থাকলে দারিদ্র্য কখনোই সফলতার পথে বাধা হতে পারে না।
জুয়েল আলীর এই সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং দেশের হাজারো সংগ্রামী শিক্ষার্থীর জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা। তাঁর জীবনগাথা শেখায়—সততা, কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতাকে জয় করা সম্ভব।
মা-বাবার স্বপ্ন, শিক্ষকদের বিশ্বাস, স্ত্রীর সহযোগিতা এবং নিজের নিরলস প্রচেষ্টার সমন্বয়ে আজকের এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন জুয়েল আলী। তাঁর এই অর্জন দেশের তরুণদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে এবং সংগ্রাম চালিয়ে যেতে উৎসাহ জোগাবে।

আপনার মতামত লিখুন