নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায় সাইফুল ইসলাম শাকিল নামে যুবদলের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
একই ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি এম আলাউদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি, যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত পক্ষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতের দিকে ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ শাকিলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত এম আলাউদ্দিন নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত বিএনপি নেতা এম আলাউদ্দিন জানান, মাগরিবের নামাজের পর ছয়ানী বাজারে কৃষক দলের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল আসছিল।
এ সময় জনকল্যাণ এলাকায় প্রথম দফা হামলা হয়। পরে কর্মসূচি শেষে রাত প্রায় ৯টার দিকে ফেরার পথে একই স্থানে আবারও হামলার শিকার হন তারা।
এতে যুবদলের ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে জামায়াত-শিবিরের কর্মী মোহর আলী, রাকিব, ফরহাদ ও শামছুসহ কয়েকজন তাকে মাথা ও পায়ে কুপিয়ে জখম করে।
পরে দলীয় নেতা-কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে শাকিলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শাহরিয়ার বলেন, শাকিলের বুকের বাম পাশে গুলি লেগে তা ফুসফুসে প্রবেশ করেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান বলেন, হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম।
আহতরা জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করছি।
অন্যদিকে, জামায়াতের বেগমগঞ্জ উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. জাকের হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ঘটনাটিকে জামায়াতের সঙ্গে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায় সাইফুল ইসলাম শাকিল নামে যুবদলের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
একই ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি এম আলাউদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি, যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত পক্ষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতের দিকে ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ শাকিলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত এম আলাউদ্দিন নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত বিএনপি নেতা এম আলাউদ্দিন জানান, মাগরিবের নামাজের পর ছয়ানী বাজারে কৃষক দলের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল আসছিল।
এ সময় জনকল্যাণ এলাকায় প্রথম দফা হামলা হয়। পরে কর্মসূচি শেষে রাত প্রায় ৯টার দিকে ফেরার পথে একই স্থানে আবারও হামলার শিকার হন তারা।
এতে যুবদলের ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে জামায়াত-শিবিরের কর্মী মোহর আলী, রাকিব, ফরহাদ ও শামছুসহ কয়েকজন তাকে মাথা ও পায়ে কুপিয়ে জখম করে।
পরে দলীয় নেতা-কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে শাকিলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শাহরিয়ার বলেন, শাকিলের বুকের বাম পাশে গুলি লেগে তা ফুসফুসে প্রবেশ করেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান বলেন, হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম।
আহতরা জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করছি।
অন্যদিকে, জামায়াতের বেগমগঞ্জ উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. জাকের হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ঘটনাটিকে জামায়াতের সঙ্গে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন