বরগুনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, সন্তানকে বুকে নিয়েই নিথর মা
বরগুনায় ঘটে গেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা। মায়ের বুকের মধ্যেই ছিল তার আদরের সন্তান—কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, একসঙ্গে নিভে গেল মা ও সন্তানের দুটি প্রাণ।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার মুহূর্তে সন্তানকে আগলে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন মা। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাতৃত্বের সেই ভালোবাসা আঁকড়ে রেখেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও বিদ্যুতের স্পর্শে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মা-ছেলের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। যে ঘরে কিছুক্ষণ আগেও ছিল মা-সন্তানের হাসি, সেই ঘর আজ নীরব। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। কেউ মানতে পারছেন না—এত অল্প সময়ের ব্যবধানে একটি পরিবার কীভাবে হারিয়ে ফেললো তাদের সবচেয়ে আপন দুইজনকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন মা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবেছেন। নিজের জীবন দিয়ে হলেও সন্তানকে আগলে রাখার যে উদাহরণ, সেটিই যেন রেখে গেলেন তিনি।
এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের মাতম বিরাজ করছে। মা-ছেলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
???? ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ মা-ছেলেকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকাহত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
বরগুনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, সন্তানকে বুকে নিয়েই নিথর মা
বরগুনায় ঘটে গেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা। মায়ের বুকের মধ্যেই ছিল তার আদরের সন্তান—কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, একসঙ্গে নিভে গেল মা ও সন্তানের দুটি প্রাণ।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার মুহূর্তে সন্তানকে আগলে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন মা। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাতৃত্বের সেই ভালোবাসা আঁকড়ে রেখেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও বিদ্যুতের স্পর্শে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মা-ছেলের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। যে ঘরে কিছুক্ষণ আগেও ছিল মা-সন্তানের হাসি, সেই ঘর আজ নীরব। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। কেউ মানতে পারছেন না—এত অল্প সময়ের ব্যবধানে একটি পরিবার কীভাবে হারিয়ে ফেললো তাদের সবচেয়ে আপন দুইজনকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন মা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবেছেন। নিজের জীবন দিয়ে হলেও সন্তানকে আগলে রাখার যে উদাহরণ, সেটিই যেন রেখে গেলেন তিনি।
এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের মাতম বিরাজ করছে। মা-ছেলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
???? ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ মা-ছেলেকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকাহত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন।

আপনার মতামত লিখুন