সন্তান জন্ম নিল, দেখার আগেই চলে গেলেন বাবা—সোহেলের শেষ ইচ্ছা পূরণরাজধানীর সদরঘাটে গত ১৮ মার্চের মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরকে হারিয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা রুবা। দুর্ঘটনার সময় নদী থেকে উদ্ধার করা হলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার হাত-পা ভেঙে যায় এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকতে হয়।
দীর্ঘ তিন মাস শারীরিক যন্ত্রণা ও মানসিক ট্রমার সঙ্গে লড়াই করার পর গতকাল ভোরে রুবা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো—যে সন্তানকে দেখার জন্য বাবা স্বপ্ন বুনছিলেন, সেই বাবা আজ আর বেঁচে নেই।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, মৃত্যুর কিছুদিন আগে সোহেল আবেগঘন কণ্ঠে স্ত্রীকে বলেছিলেন, ছেলে হলে তার নাম যেন ‘মোহাম্মদ রাইয়েন’ রাখা হয়। সেই ইচ্ছা অনুযায়ী নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে ‘মোহাম্মদ রাইয়েন’।
বর্তমানে ভাঙা হাত-পা নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন রুবা। শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে ভারী কাজ করতে পারেন না, পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ও বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারকে। অভিযোগ রয়েছে, এখনো পর্যন্ত লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বা সরকারি কোনো সহায়তা পাননি তারা।
স্বপ্ন ছিল ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন—কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে সেই স্বপ্ন দেখে যাওয়া মানুষটি আজ আর নেই। ????

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
সন্তান জন্ম নিল, দেখার আগেই চলে গেলেন বাবা—সোহেলের শেষ ইচ্ছা পূরণরাজধানীর সদরঘাটে গত ১৮ মার্চের মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরকে হারিয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা রুবা। দুর্ঘটনার সময় নদী থেকে উদ্ধার করা হলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার হাত-পা ভেঙে যায় এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকতে হয়।
দীর্ঘ তিন মাস শারীরিক যন্ত্রণা ও মানসিক ট্রমার সঙ্গে লড়াই করার পর গতকাল ভোরে রুবা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো—যে সন্তানকে দেখার জন্য বাবা স্বপ্ন বুনছিলেন, সেই বাবা আজ আর বেঁচে নেই।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, মৃত্যুর কিছুদিন আগে সোহেল আবেগঘন কণ্ঠে স্ত্রীকে বলেছিলেন, ছেলে হলে তার নাম যেন ‘মোহাম্মদ রাইয়েন’ রাখা হয়। সেই ইচ্ছা অনুযায়ী নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে ‘মোহাম্মদ রাইয়েন’।
বর্তমানে ভাঙা হাত-পা নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন রুবা। শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে ভারী কাজ করতে পারেন না, পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ও বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারকে। অভিযোগ রয়েছে, এখনো পর্যন্ত লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বা সরকারি কোনো সহায়তা পাননি তারা।
স্বপ্ন ছিল ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়িয়ে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন—কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে সেই স্বপ্ন দেখে যাওয়া মানুষটি আজ আর নেই। ????

আপনার মতামত লিখুন