৪ বছর বয়সেই জীবিকার যুদ্ধ! কমলাপুর স্টেশনে পানি বিক্রি করে চলছে ছোট্ট আল-আমিনের জীবন
জন্মের পরপরই বাবা ছেড়ে চলে গেছেন অন্যত্র নতুন সংসার গড়তে। সেই থেকে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে মাত্র ৪ বছর বয়সী শিশু আল-আমিনকে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই কাটছে তার শৈশব—হাতে খেলনা নয়, জীবিকার তাগিদে পানির বোতল।
প্রতিদিন দুই বেলা খাবারের আশায় ছোট্ট হাতে পানি বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোভাবে চলে আল-আমিন ও তার মায়ের জীবন। দিন শেষে মাথা গোঁজার স্থায়ী কোনো ঠাঁই নেই তাদের। রাত নামলে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মই হয়ে ওঠে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়।
যে বয়সে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলাধুলা আর আনন্দে মেতে থাকার কথা—সেই বয়সেই জীবনযুদ্ধের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছে ছোট্ট আল-আমিন। তার মতো আরও অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিদিন সংগ্রাম করে যাচ্ছে বেঁচে থাকার জন্য।
আল-আমিনের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আবেগ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে মানবিক সহায়তার আহ্বানও জানিয়েছেন। ছোট্ট এই শিশুর জীবনে একদিন সুন্দর সকাল আসুক—এমন প্রত্যাশা সবার।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
৪ বছর বয়সেই জীবিকার যুদ্ধ! কমলাপুর স্টেশনে পানি বিক্রি করে চলছে ছোট্ট আল-আমিনের জীবন
জন্মের পরপরই বাবা ছেড়ে চলে গেছেন অন্যত্র নতুন সংসার গড়তে। সেই থেকে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে মাত্র ৪ বছর বয়সী শিশু আল-আমিনকে। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই কাটছে তার শৈশব—হাতে খেলনা নয়, জীবিকার তাগিদে পানির বোতল।
প্রতিদিন দুই বেলা খাবারের আশায় ছোট্ট হাতে পানি বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোভাবে চলে আল-আমিন ও তার মায়ের জীবন। দিন শেষে মাথা গোঁজার স্থায়ী কোনো ঠাঁই নেই তাদের। রাত নামলে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মই হয়ে ওঠে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়।
যে বয়সে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলাধুলা আর আনন্দে মেতে থাকার কথা—সেই বয়সেই জীবনযুদ্ধের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছে ছোট্ট আল-আমিন। তার মতো আরও অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিদিন সংগ্রাম করে যাচ্ছে বেঁচে থাকার জন্য।
আল-আমিনের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আবেগ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে মানবিক সহায়তার আহ্বানও জানিয়েছেন। ছোট্ট এই শিশুর জীবনে একদিন সুন্দর সকাল আসুক—এমন প্রত্যাশা সবার।

আপনার মতামত লিখুন