আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্ব তেলবাজারে প্রায় ৫০ কোটি (৫০ কোটি = ৫০০ মিলিয়ন) ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেছে, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সরবরাহ সংকট হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের কারণে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদন ও রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে যায়। এতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে প্রবেশ করতে পারেনি।
এই বিশাল ঘাটতির কারণে তেলের দামও ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ক্ষতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট শুধু তেল সরবরাহই নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি, পরিবহন খরচ ও মুদ্রাস্ফীতিতেও বড় প্রভাব ফেলেছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্ব তেলবাজারে প্রায় ৫০ কোটি (৫০ কোটি = ৫০০ মিলিয়ন) ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেছে, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সরবরাহ সংকট হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের কারণে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদন ও রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে যায়। এতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে প্রবেশ করতে পারেনি।
এই বিশাল ঘাটতির কারণে তেলের দামও ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ক্ষতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট শুধু তেল সরবরাহই নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি, পরিবহন খরচ ও মুদ্রাস্ফীতিতেও বড় প্রভাব ফেলেছে।

আপনার মতামত লিখুন