ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

সম্প্রতি মনোহরদীতে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী আয়োজন

মনোহরদীতে গুরুজনদের সান্নিধ্যে এক অনুপ্রেরণাময় দিন

মনোহরদীতে গুরুজনদের সান্নিধ্যে এক অনুপ্রেরণাময় দিন

আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে, স্বপ্ন যেখানে সার্থক”— এই প্রাণবন্ত স্লোগানকে সামনে রেখে সম্প্রতি মনোহরদীতে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। ব্রেভ জুবিলেন্ট স্কলার্স অব মনোহরদী মডেল কলেজ (বিজেএসএম মডেল কলেজ)-এর উদ্যোগে এবং লাইলি-সিরাজ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ‘সেমিনার ও মেধাবৃত্তি পুরস্কার ২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে জ্ঞানচর্চা, স্বপ্নপূরণ ও আন্তরিকতার এক মিলনমেলা।

দেশের শিক্ষা, গবেষণা ও সাহিত্য অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—

· ড. এস এম হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

· ড. মাহমুদুল হাসান, সহযোগী অধ্যাপক, ফিশারিজ বিভাগ এবং পরিচালক, রিসার্চ সেল, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

· জনাব ইকবাল হায়দার সবুজ, অধ্যক্ষ, কাপাসিয়া সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

· এমফিল গবেষক জনাব মঞ্জিল মোল্লা, অধ্যক্ষ, বিজেএসএম মডেল কলেজ

  এছাড়াও আরও অনেক শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

 কলেজের প্রভাষক ও লেখক তৌফিক সুলতান স্যার বলেন,

“শিক্ষা কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করার মাধ্যম নয়; শিক্ষা হলো একজন মানুষকে আলোকিত, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আজকের মেধাবীরা আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে— তাই তাদের মাঝে জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো আমাদের সবার দায়িত্ব।”

স্বপ্নপূরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন,

“স্বপ্ন তখনই সার্থক হয়, যখন তা অধ্যবসায়, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের উচিত বড় স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া।”

সেমিনার পর্বে জ্ঞানচর্চার অভ্যাস, গবেষণামনস্কতা, নৈতিক শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের মুক্তচিন্তা, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় উৎসাহিত করেন।


পরবর্তী পর্বে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে মেধাবৃত্তির অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস আর অভিভাবকদের গর্বিত মুখচ্ছবি আয়োজনটিতে যোগ করে বাড়তি আবেগ ও সাফল্যের স্বাদ।

ঈদ-পরবর্তী সময়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারী সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দঘন ও শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। অনুষ্ঠান শেষে বিশিষ্ট অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এক ফ্রেমে বাঁধা পড়েন এক স্মরণীয় মুহূর্তে। স্মৃতির অ্যালবামে ধরা পড়া সেই ছবিতে আমরা দেখতে পাই— ড. এস এম হাফিজুর রহমান, ড. মাহমুদুল হাসান, ইকবাল হায়দার সবুজ, মঞ্জিল মোল্লাসহ অন্যান্য গুণীজন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল উপস্থিতি। গুণীজনদের সান্নিধ্যে কাটানো দিনটি সত্যিই সবার হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।


 আয়োজক ও অতিথিবৃন্দ উপস্থিত সকলের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানিয়ে বলেন, শিক্ষা, মানবিকতা ও ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমেই আগামীর বাংলাদেশ হয়ে উঠবে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও সার্থক। বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য রইল অনাবিল শুভেচ্ছা— অনাগত সময় হোক কল্যাণময়, সমৃদ্ধ ও সাফল্যগাথায় পূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


মনোহরদীতে গুরুজনদের সান্নিধ্যে এক অনুপ্রেরণাময় দিন

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image

আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে, স্বপ্ন যেখানে সার্থক”— এই প্রাণবন্ত স্লোগানকে সামনে রেখে সম্প্রতি মনোহরদীতে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। ব্রেভ জুবিলেন্ট স্কলার্স অব মনোহরদী মডেল কলেজ (বিজেএসএম মডেল কলেজ)-এর উদ্যোগে এবং লাইলি-সিরাজ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ‘সেমিনার ও মেধাবৃত্তি পুরস্কার ২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে জ্ঞানচর্চা, স্বপ্নপূরণ ও আন্তরিকতার এক মিলনমেলা।


দেশের শিক্ষা, গবেষণা ও সাহিত্য অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—


· ড. এস এম হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

· ড. মাহমুদুল হাসান, সহযোগী অধ্যাপক, ফিশারিজ বিভাগ এবং পরিচালক, রিসার্চ সেল, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

· জনাব ইকবাল হায়দার সবুজ, অধ্যক্ষ, কাপাসিয়া সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

· এমফিল গবেষক জনাব মঞ্জিল মোল্লা, অধ্যক্ষ, বিজেএসএম মডেল কলেজ

  এছাড়াও আরও অনেক শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক ও সমাজসেবী ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।


 কলেজের প্রভাষক ও লেখক তৌফিক সুলতান স্যার বলেন,

“শিক্ষা কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করার মাধ্যম নয়; শিক্ষা হলো একজন মানুষকে আলোকিত, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আজকের মেধাবীরা আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে— তাই তাদের মাঝে জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো আমাদের সবার দায়িত্ব।”


স্বপ্নপূরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন,

“স্বপ্ন তখনই সার্থক হয়, যখন তা অধ্যবসায়, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের উচিত বড় স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া।”


সেমিনার পর্বে জ্ঞানচর্চার অভ্যাস, গবেষণামনস্কতা, নৈতিক শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের মুক্তচিন্তা, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় উৎসাহিত করেন।


পরবর্তী পর্বে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে মেধাবৃত্তির অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস আর অভিভাবকদের গর্বিত মুখচ্ছবি আয়োজনটিতে যোগ করে বাড়তি আবেগ ও সাফল্যের স্বাদ।


ঈদ-পরবর্তী সময়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারী সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দঘন ও শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। অনুষ্ঠান শেষে বিশিষ্ট অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এক ফ্রেমে বাঁধা পড়েন এক স্মরণীয় মুহূর্তে। স্মৃতির অ্যালবামে ধরা পড়া সেই ছবিতে আমরা দেখতে পাই— ড. এস এম হাফিজুর রহমান, ড. মাহমুদুল হাসান, ইকবাল হায়দার সবুজ, মঞ্জিল মোল্লাসহ অন্যান্য গুণীজন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল উপস্থিতি। গুণীজনদের সান্নিধ্যে কাটানো দিনটি সত্যিই সবার হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।


 আয়োজক ও অতিথিবৃন্দ উপস্থিত সকলের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানিয়ে বলেন, শিক্ষা, মানবিকতা ও ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমেই আগামীর বাংলাদেশ হয়ে উঠবে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও সার্থক। বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য রইল অনাবিল শুভেচ্ছা— অনাগত সময় হোক কল্যাণময়, সমৃদ্ধ ও সাফল্যগাথায় পূর্ণ।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল