বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় আবারও একটি ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে এমটি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজের যাত্রা স্থগিত হওয়ার ঘটনা। মধ্যপ্রাচ্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে না পারায় জাহাজটি নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।
জানা গেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তাজনিত অনিশ্চয়তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান টানাপোড়েনের ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আগের মতো স্বাভাবিক নেই। সম্প্রতি ইরানের পক্ষ থেকে এই নৌপথে ‘নিরাপত্তা ফি’ আরোপের পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনে প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, এমটি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ মূলত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বহন করে দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটির যাত্রাপথ পরিবর্তন বা বিলম্বের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহে তাৎক্ষণিক বড় সংকট না তৈরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট, যেখানে দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়। এই রুটে সামান্য অস্থিরতাও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য এটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল।
এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে ভবিষ্যতে এমন আরও বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় আবারও একটি ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে এমটি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজের যাত্রা স্থগিত হওয়ার ঘটনা। মধ্যপ্রাচ্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে না পারায় জাহাজটি নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।
জানা গেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তাজনিত অনিশ্চয়তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান টানাপোড়েনের ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আগের মতো স্বাভাবিক নেই। সম্প্রতি ইরানের পক্ষ থেকে এই নৌপথে ‘নিরাপত্তা ফি’ আরোপের পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনে প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, এমটি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ মূলত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বহন করে দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটির যাত্রাপথ পরিবর্তন বা বিলম্বের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহে তাৎক্ষণিক বড় সংকট না তৈরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট, যেখানে দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়। এই রুটে সামান্য অস্থিরতাও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য এটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল।
এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে ভবিষ্যতে এমন আরও বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন