ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি পার হতে দিতে হবে ‘নিরাপত্তা ফি’, নতুন আইন করছে ইরান

 হরমুজ প্রণালি পার হতে দিতে হবে ‘নিরাপত্তা ফি’, নতুন আইন করছে ইরান

ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজের ওপর “নিরাপত্তা ফি” বা ট্রানজিট চার্জ আরোপের পরিকল্পনা করছে—এমন খবর এখন আন্তর্জাতিকভাবে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে বিষয়টা এখনও পুরোপুরি স্থির কোনো আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি; বরং এটি প্রস্তাব, চাপ এবং বাস্তবায়নের আংশিক প্রচেষ্টার মিশ্র অবস্থা।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইরান বলছে—হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে তাদের নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে এবং অনেক ক্ষেত্রে ইরানের বিপ্লবী গার্ড (IRGC)-এর অনুমতি নিতে হবে। � একই সঙ্গে কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছে, জাহাজ চলাচলের জন্য “টোল” বা ফি নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যা কার্যত নিরাপত্তা বা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, হরমুজের মতো আন্তর্জাতিক জলপথে এমন ফি আরোপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে। 

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন (বিশেষ করে UNCLOS) অনুযায়ী, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর সরাসরি কোনো “পথচার্জ” আরোপ করা বৈধ নয়—শুধু নির্দিষ্ট সেবা (যেমন নেভিগেশন সহায়তা) দিলে ফি নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু শুধু পার হওয়ার জন্য নয়

তবে বাস্তব পরিস্থিতি এখনো জটিল। একদিকে ইরান বলছে প্রণালি “খোলা”, অন্যদিকে জাহাজ চলাচল সীমিত, অনুমতির প্রয়োজন হচ্ছে, আর ফি বা টোল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। 

সব মিলিয়ে, “নিরাপত্তা ফি” বিষয়টি এখনো পুরোপুরি কার্যকর আইন নয়, কিন্তু এটি বাস্তবে চাপ সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান—যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


হরমুজ প্রণালি পার হতে দিতে হবে ‘নিরাপত্তা ফি’, নতুন আইন করছে ইরান

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজের ওপর “নিরাপত্তা ফি” বা ট্রানজিট চার্জ আরোপের পরিকল্পনা করছে—এমন খবর এখন আন্তর্জাতিকভাবে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে বিষয়টা এখনও পুরোপুরি স্থির কোনো আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি; বরং এটি প্রস্তাব, চাপ এবং বাস্তবায়নের আংশিক প্রচেষ্টার মিশ্র অবস্থা।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইরান বলছে—হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে তাদের নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে এবং অনেক ক্ষেত্রে ইরানের বিপ্লবী গার্ড (IRGC)-এর অনুমতি নিতে হবে। � একই সঙ্গে কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছে, জাহাজ চলাচলের জন্য “টোল” বা ফি নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যা কার্যত নিরাপত্তা বা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, হরমুজের মতো আন্তর্জাতিক জলপথে এমন ফি আরোপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে। 

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন (বিশেষ করে UNCLOS) অনুযায়ী, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর সরাসরি কোনো “পথচার্জ” আরোপ করা বৈধ নয়—শুধু নির্দিষ্ট সেবা (যেমন নেভিগেশন সহায়তা) দিলে ফি নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু শুধু পার হওয়ার জন্য নয়

তবে বাস্তব পরিস্থিতি এখনো জটিল। একদিকে ইরান বলছে প্রণালি “খোলা”, অন্যদিকে জাহাজ চলাচল সীমিত, অনুমতির প্রয়োজন হচ্ছে, আর ফি বা টোল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। 

সব মিলিয়ে, “নিরাপত্তা ফি” বিষয়টি এখনো পুরোপুরি কার্যকর আইন নয়, কিন্তু এটি বাস্তবে চাপ সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান—যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল