ইরানের ছোড়া সব ড্রোন ভূপাতিত করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পুরোপুরি সম্ভব নাও হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
United States Armed Forces–এর কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক গোপন ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, ইরান যদি বড় আকারে প্রতিশোধমূলক ড্রোন হামলা চালায়, তাহলে অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হলেও শতভাগ প্রতিরোধ করা কঠিন হতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Guardian–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুইজন ব্যক্তি জানান, বৈঠকে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের কাছে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন।
কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার পরিস্থিতিকে অনেক জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে যদি একসঙ্গে অনেক ড্রোন (swarm attack) ছোড়া হয়, তাহলে সবগুলোকে প্রতিহত করা প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন হয়ে যায়।
বৈঠকে আরও বলা হয়, প্রতিটি ড্রোন ধ্বংস করতে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। ফলে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে অস্ত্রের মজুত, যুদ্ধের ব্যয় এবং সামরিক কৌশল নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে।
সম্প্রতি Iran ও United States–এর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই ব্রিফিংকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি ও ব্যাপক উৎপাদন সক্ষমতা ভবিষ্যৎ সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের ছোড়া সব ড্রোন ভূপাতিত করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পুরোপুরি সম্ভব নাও হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
United States Armed Forces–এর কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক গোপন ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, ইরান যদি বড় আকারে প্রতিশোধমূলক ড্রোন হামলা চালায়, তাহলে অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হলেও শতভাগ প্রতিরোধ করা কঠিন হতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Guardian–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুইজন ব্যক্তি জানান, বৈঠকে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের কাছে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন।
কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার পরিস্থিতিকে অনেক জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে যদি একসঙ্গে অনেক ড্রোন (swarm attack) ছোড়া হয়, তাহলে সবগুলোকে প্রতিহত করা প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন হয়ে যায়।
বৈঠকে আরও বলা হয়, প্রতিটি ড্রোন ধ্বংস করতে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়। ফলে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে অস্ত্রের মজুত, যুদ্ধের ব্যয় এবং সামরিক কৌশল নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে।
সম্প্রতি Iran ও United States–এর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই ব্রিফিংকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি ও ব্যাপক উৎপাদন সক্ষমতা ভবিষ্যৎ সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন