অসহায় নারীদের নামে লাখ লাখ টাকার ব্যাংক লেনদেন
অসহায় নারীদের নামে লাখ লাখ টাকার ব্যাংক লেনদেন, জানেনই না তারা
ভিক্ষা করে সংসার চলে ৮০ বছর বয়সী নমিরন বিবির। নিজের কোনো ভিটেমাটি নেই। সরকারি দেওয়া একটি ঘরে বসবাস করেন তিনি। অথচ তার নামে পুবালী ব্যাংকে থাকা একটি হিসাবে প্রায় ৯০ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নমিরন বিবির দাবি, তিনি কখনো ব্যাংকে গিয়ে ওই হিসাব খোলেননি এবং এত বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন সম্পর্কেও তিনি কিছুই জানেন না।
একইভাবে অহিয়া খাতুন নামের আরেক অসহায় নারীর নামেও প্রায় ২৩ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনিও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করছেন।
প্রশ্ন উঠেছে, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের নামে ব্যাংক হিসাব খুলে এত বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেন করা হচ্ছে কীভাবে? তাদের অজ্ঞাতসারে কোনো ঋণ বা আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে এর পেছনে কারা রয়েছেন—তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসতে পারে।
অসহায় মানুষের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি অবৈধ আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে, তাহলে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি যাদের নামে এসব হিসাব খোলা হয়েছে, তারা যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
অসহায় নারীদের নামে লাখ লাখ টাকার ব্যাংক লেনদেন
অসহায় নারীদের নামে লাখ লাখ টাকার ব্যাংক লেনদেন, জানেনই না তারা
ভিক্ষা করে সংসার চলে ৮০ বছর বয়সী নমিরন বিবির। নিজের কোনো ভিটেমাটি নেই। সরকারি দেওয়া একটি ঘরে বসবাস করেন তিনি। অথচ তার নামে পুবালী ব্যাংকে থাকা একটি হিসাবে প্রায় ৯০ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নমিরন বিবির দাবি, তিনি কখনো ব্যাংকে গিয়ে ওই হিসাব খোলেননি এবং এত বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন সম্পর্কেও তিনি কিছুই জানেন না।
একইভাবে অহিয়া খাতুন নামের আরেক অসহায় নারীর নামেও প্রায় ২৩ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনিও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করছেন।
প্রশ্ন উঠেছে, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের নামে ব্যাংক হিসাব খুলে এত বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেন করা হচ্ছে কীভাবে? তাদের অজ্ঞাতসারে কোনো ঋণ বা আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে এর পেছনে কারা রয়েছেন—তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসতে পারে।
অসহায় মানুষের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি অবৈধ আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে, তাহলে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি যাদের নামে এসব হিসাব খোলা হয়েছে, তারা যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন