ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতিকে ঈদের নামাজ পড়তে জাতীয় ঈদগাহে যেতে দেয়নি ইউনূস সরকার

রাষ্ট্রপতিকে ঈদের নামাজ পড়তে জাতীয় ঈদগাহে যেতে দেয়নি ইউনূস সরকার
ছবি সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মন্তব্য করেছেন যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের জন্য জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির দাবি অনুযায়ী, তিনি রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগ্রহী ছিলেন। বিশেষ করে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক ও প্রতীকী দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বিবেচিত হয়ে থাকে। তবে সংশ্লিষ্ট সময়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে তাঁকে সেখানে যেতে নিরুৎসাহিত বা বাধা দেওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে সাধারণত রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আনুষ্ঠানিক মর্যাদা দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির এমন মন্তব্য রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্নও উত্থাপন করেছে—রাষ্ট্রপ্রধানের চলাচল বা কর্মসূচি নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা কতটুকু এবং কোন পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, গোয়েন্দা তথ্য বা প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা থাকলে তা সাধারণত প্রকাশ্যে আনা হয় না—তবে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের পর বিষয়টি জনপরিসরে আলোচনায় এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগত কর্মসূচি নয়; বরং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল, ক্ষমতার ভারসাম্য ও সাংবিধানিক রীতিনীতির সঙ্গেও সম্পর্কিত। আগামী দিনে এ নিয়ে সরকার ও রাষ্ট্রপতির দপ্তরের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হলে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


রাষ্ট্রপতিকে ঈদের নামাজ পড়তে জাতীয় ঈদগাহে যেতে দেয়নি ইউনূস সরকার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মন্তব্য করেছেন যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের জন্য জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির দাবি অনুযায়ী, তিনি রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগ্রহী ছিলেন। বিশেষ করে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক ও প্রতীকী দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বিবেচিত হয়ে থাকে। তবে সংশ্লিষ্ট সময়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে তাঁকে সেখানে যেতে নিরুৎসাহিত বা বাধা দেওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে সাধারণত রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আনুষ্ঠানিক মর্যাদা দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির এমন মন্তব্য রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্নও উত্থাপন করেছে—রাষ্ট্রপ্রধানের চলাচল বা কর্মসূচি নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা কতটুকু এবং কোন পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, গোয়েন্দা তথ্য বা প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা থাকলে তা সাধারণত প্রকাশ্যে আনা হয় না—তবে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের পর বিষয়টি জনপরিসরে আলোচনায় এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগত কর্মসূচি নয়; বরং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল, ক্ষমতার ভারসাম্য ও সাংবিধানিক রীতিনীতির সঙ্গেও সম্পর্কিত। আগামী দিনে এ নিয়ে সরকার ও রাষ্ট্রপতির দপ্তরের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হলে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল