ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

চারজনই অসুস্থ, পরিবারের ভার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিথির কাঁধে—টিউশনি করে চলছে চিকিৎসা ও সংসার

চারজনই অসুস্থ, পরিবারের ভার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিথির কাঁধে—টিউশনি করে চলছে চিকিৎসা ও সংসার

বিয়ের আনন্দের রাতেই বিষাদ, বাসররাতে স্ট্রোকে মারা গেলেন নববিবাহিত বর

বিয়ের আনন্দের রাতেই বিষাদ, বাসররাতে স্ট্রোকে মারা গেলেন নববিবাহিত বর

দেড় মাসের ব্যবধানে না ফেরার দেশে জমজ দুই ভাই ইমু ও রিমু

দেড় মাসের ব্যবধানে না ফেরার দেশে জমজ দুই ভাই ইমু ও রিমু

৩৫ বছর রাজমিস্ত্রী কাজ করে ৮ মেয়েকে ডাক্তার বানালেন এই গর্বিত বাবা,দারিদ্র হেরে গেল বাবার ইচ্ছে শক্তির কাছে।

৩৫ বছর রাজমিস্ত্রী কাজ করে ৮ মেয়েকে ডাক্তার বানালেন এই গর্বিত বাবা,দারিদ্র হেরে গেল বাবার ইচ্ছে শক্তির কাছে।

একই পরিবারের চার ভাই-ই BUETিয়ান, গর্বিত বাবা-মায়ের মুখে সাফল্যের হাসি

একই পরিবারের চার ভাই-ই BUETিয়ান, গর্বিত বাবা-মায়ের মুখে সাফল্যের হাসি

‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াতের পর ক্যান্সার উধাও, পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ বললেন—‘এটা আল্লাহর মিরাকল’

‘সূরা আর-রহমান’ তিলাওয়াতের পর ক্যান্সার উধাও, পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ বললেন—‘এটা আল্লাহর মিরাকল’

স্বামীহারা গর্ভবতী মা দুই দিন ধরে অনাহারে, সন্তানের ভাঙা হাতের চিকিৎসাও করাতে পারছেন না

স্বামীহারা গর্ভবতী মা দুই দিন ধরে অনাহারে, সন্তানের ভাঙা হাতের চিকিৎসাও করাতে পারছেন না

প্রেমের টানে গাজীপুর থেকে পাথরঘাটায় মুসলিম তরুণী, বিয়ে করতে চান হিন্দু প্রেমিককে

প্রেমের টানে গাজীপুর থেকে পাথরঘাটায় মুসলিম তরুণী, বিয়ে করতে চান হিন্দু প্রেমিককে

দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা, নবীজির আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা, নবীজির আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর বাণী "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"

বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, রাহমাতুল্লিল আলামীন প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আগমন ও ওফাত দিবস পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হলো মানবজাতির মুক্তির দূত, আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভ আগমন বা জন্মদিবস উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন। সাধারণত প্রতি বছর হিজরি ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বিশ্বজুড়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ ও দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা।

১২ই রবিউল আউয়াল শুধু একটি তারিখ নয়, এটি সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য আল্লাহর এক অফুরন্ত রহমত ও আলোর দিশারী পাওয়ার দিন। প্রিয়নবী (সা.) এমন এক সময়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন যখন মানবজাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল—ছিল অজ্ঞতা, অন্যায়, হানাহানি ও অমানবিকতায় ভরা। তিনি এসে মানুষকে শিখিয়েছেন সত্য ও সুন্দরের পথ, প্রতিষ্ঠা করেছেন ন্যায়বিচার, সাম্য, শান্তি ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও আমাদের করণীয়:

১. শান্তি ও সৌহার্দ্য: নবীজির জীবন কেবল একটি নির্দিষ্ট গোত্র বা জাতির জন্য ছিল না, বরং তিনি ছিলেন পুরো বিশ্বজগতের জন্য রহমত। তাঁর সুমহান আদর্শ আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

২.ক্ষমা ও সহনশীলতা: মহানবী (সা.) চরম শত্রুর প্রতিও ক্ষমা ও দয়ার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর এই সহনশীলতা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কে বজায় রাখতে হবে।

৩. সত্য ও ন্যায়ের পথ: ইসলাম আমাদের যে শান্তির বাণী ও কোরআনের শিক্ষা শিখিয়েছে, তা আত্মস্থ করে সমাজে ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই পবিত্র দিনে আমরা যেন বেশি বেশি দরুদ পাঠ করি, কোরআন তেলাওয়াত করি এবং দান-সদকার মাধ্যমে প্রিয় নবীর প্রতি আমাদের ভালোবাসার দান করুন। আমিন।ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মোবারক

৪. মানবতা ও নৈতিকতার শিক্ষানবী করিম (সা.) শৈশব ও যৌবনকাল থেকেই ছিলেন পরম বিশ্বস্ত (আল-আমিন) এবং সর্বশ্রেষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। মিলাদুন্নবীর বাণীতে তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যেন তারা নবীজির সততা, আমানতদারিতা, বড়দের প্রতি সম্মান এবং ছোটদের প্রতি স্নেহের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তগুলো নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনে বাস্তবায়ন করেন।

৫. কল্যাণমুখী রাষ্ট্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাইসলামিক বাণীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠায় মদিনা সনদের গুরুত্বারোপ করা হয়। রাসুল (সা.) তাঁর ২৩ বছরের নবুওয়াত জীবনে মদিনায় যে আদর্শ সমাজ গড়ে তুলেছিলেন, ঠিক তেমনিভাবে শান্তি, সুশাসন ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

৬. সুন্নাহর অনুসরণ ও দরুদ পাঠের গুরুত্বপ্রকৃত আশেকে রাসুল হওয়ার মূল শর্ত হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাতকে পুরোপুরি আঁকড়ে ধরা এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর দেখানো শরিয়তের বিধান মেনে চলা। এই পবিত্র দিনে বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করা, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা এবং নবীজির 'সিরাত' বা জীবনী আলোচনা করার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের তাগিদ দেওয়া হয়।

৭. মানবসেবা ও দান-সদকানবীজি (সা.) সবসময় অসহায়, এতিম ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। ঈদে মিলাদুন্নবীর অন্যতম প্রধান শিক্ষা হলো মানবসেবা। তাই এই দিনে আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণ, দান-সদকা করা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন 

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা, নবীজির আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর বাণী "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"


বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, রাহমাতুল্লিল আলামীন প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আগমন ও ওফাত দিবস পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হলো মানবজাতির মুক্তির দূত, আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভ আগমন বা জন্মদিবস উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন। সাধারণত প্রতি বছর হিজরি ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বিশ্বজুড়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ ও দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা।


১২ই রবিউল আউয়াল শুধু একটি তারিখ নয়, এটি সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য আল্লাহর এক অফুরন্ত রহমত ও আলোর দিশারী পাওয়ার দিন। প্রিয়নবী (সা.) এমন এক সময়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন যখন মানবজাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল—ছিল অজ্ঞতা, অন্যায়, হানাহানি ও অমানবিকতায় ভরা। তিনি এসে মানুষকে শিখিয়েছেন সত্য ও সুন্দরের পথ, প্রতিষ্ঠা করেছেন ন্যায়বিচার, সাম্য, শান্তি ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।


মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও আমাদের করণীয়:

১. শান্তি ও সৌহার্দ্য: নবীজির জীবন কেবল একটি নির্দিষ্ট গোত্র বা জাতির জন্য ছিল না, বরং তিনি ছিলেন পুরো বিশ্বজগতের জন্য রহমত। তাঁর সুমহান আদর্শ আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

২.ক্ষমা ও সহনশীলতা: মহানবী (সা.) চরম শত্রুর প্রতিও ক্ষমা ও দয়ার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর এই সহনশীলতা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কে বজায় রাখতে হবে।

৩. সত্য ও ন্যায়ের পথ: ইসলাম আমাদের যে শান্তির বাণী ও কোরআনের শিক্ষা শিখিয়েছে, তা আত্মস্থ করে সমাজে ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই পবিত্র দিনে আমরা যেন বেশি বেশি দরুদ পাঠ করি, কোরআন তেলাওয়াত করি এবং দান-সদকার মাধ্যমে প্রিয় নবীর প্রতি আমাদের ভালোবাসার দান করুন। আমিন।ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মোবারক

৪. মানবতা ও নৈতিকতার শিক্ষানবী করিম (সা.) শৈশব ও যৌবনকাল থেকেই ছিলেন পরম বিশ্বস্ত (আল-আমিন) এবং সর্বশ্রেষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। মিলাদুন্নবীর বাণীতে তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যেন তারা নবীজির সততা, আমানতদারিতা, বড়দের প্রতি সম্মান এবং ছোটদের প্রতি স্নেহের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তগুলো নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনে বাস্তবায়ন করেন।

৫. কল্যাণমুখী রাষ্ট্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাইসলামিক বাণীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠায় মদিনা সনদের গুরুত্বারোপ করা হয়। রাসুল (সা.) তাঁর ২৩ বছরের নবুওয়াত জীবনে মদিনায় যে আদর্শ সমাজ গড়ে তুলেছিলেন, ঠিক তেমনিভাবে শান্তি, সুশাসন ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

৬. সুন্নাহর অনুসরণ ও দরুদ পাঠের গুরুত্বপ্রকৃত আশেকে রাসুল হওয়ার মূল শর্ত হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাতকে পুরোপুরি আঁকড়ে ধরা এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর দেখানো শরিয়তের বিধান মেনে চলা। এই পবিত্র দিনে বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করা, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা এবং নবীজির 'সিরাত' বা জীবনী আলোচনা করার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের তাগিদ দেওয়া হয়।

৭. মানবসেবা ও দান-সদকানবীজি (সা.) সবসময় অসহায়, এতিম ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। ঈদে মিলাদুন্নবীর অন্যতম প্রধান শিক্ষা হলো মানবসেবা। তাই এই দিনে আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণ, দান-সদকা করা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।


মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন 

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল