মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে এসএসসি ও দাখিল সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে পৌর অডিটোরিয়াম হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫০০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা ও উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বক্তব্য এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ছাত্র পরিবহন সম্পাদক (সিনেট সদস্য) আসিফ আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল।
কুড়িগ্রাম জেলা শিবিরের সেক্রেটারি মোবাশ্বের রাশেদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বপন, চিকিৎসক ডা. মো. আমিনুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ আব্দুল্লাহ জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "ভালো ফলাফল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই শেষ লক্ষ্য নয়। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ গঠনে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ভবিষ্যতে যে পেশাতেই যাও না কেন, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
বক্তারা বলেন, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞান, দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ অর্জন জরুরি। মেধাবী শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অন্যতম শক্তি। শিক্ষাজীবন থেকেই ভালো চরিত্র, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে হবে। মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ইনসাফভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় তরুণ প্রজন্মকে ভূমিকা রাখতে হবে। অর্জিত জ্ঞান ও মেধা দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।
এ সময় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে এসএসসি ও দাখিল সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে পৌর অডিটোরিয়াম হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫০০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা ও উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বক্তব্য এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ছাত্র পরিবহন সম্পাদক (সিনেট সদস্য) আসিফ আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল।
কুড়িগ্রাম জেলা শিবিরের সেক্রেটারি মোবাশ্বের রাশেদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বপন, চিকিৎসক ডা. মো. আমিনুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ আব্দুল্লাহ জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "ভালো ফলাফল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই শেষ লক্ষ্য নয়। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ গঠনে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ভবিষ্যতে যে পেশাতেই যাও না কেন, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
বক্তারা বলেন, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞান, দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ অর্জন জরুরি। মেধাবী শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অন্যতম শক্তি। শিক্ষাজীবন থেকেই ভালো চরিত্র, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে হবে। মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ইনসাফভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় তরুণ প্রজন্মকে ভূমিকা রাখতে হবে। অর্জিত জ্ঞান ও মেধা দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।
এ সময় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও সংবর্ধিত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন