ডিসেম্বরে আর টানা এক মাসের ছুটি পাচ্ছেন না অধস্তন আদালতের বিচারকরা
এখন থেকে ডিসেম্বরে টানা এক মাসের পরিবর্তে দুই দফায় এক মাসের ছুটি কাটাবেন অধস্তন আদালতের বিচারকরা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে ১৫ দিন এবং জুন মাসে ১৫ দিন ছুটি পাবেন তারা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে অধস্তন আদালতে মামলার জট ও বিচারিক কার্যক্রমে বিলম্ব কমানোর বিষয়ে আলোচনা চলছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল রাখতে বার্ষিক ছুটির কাঠামোয় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এর আগে অধস্তন আদালতের বিচারকরা প্রতি বছর ডিসেম্বরে টানা এক মাস ছুটি ভোগ করতেন। ফলে ওই সময় আদালতের স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম প্রায় পুরোপুরি বন্ধ থাকত। নতুন ব্যবস্থায় বছরের দুই ভিন্ন সময়ে ছুটি ভাগ করে নেওয়ায় আদালতের কার্যক্রম দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার সম্ভাবনা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফুলকোর্ট সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এই
পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর করা হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আশা করছে, এর ফলে বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বাড়বে এবং মামলার দীর্ঘসূত্রতা কিছুটা হলেও কমবে।তবে ছুটির এই নতুন কাঠামো অধস্তন আদালতের বিচারকদের কর্মব্যবস্থাপনা ও বিচারিক শৃঙ্খলায় কী ধরনের প্রভাব ফেলবে—সে বিষয়েও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডিসেম্বরে আর টানা এক মাসের ছুটি পাচ্ছেন না অধস্তন আদালতের বিচারকরা
এখন থেকে ডিসেম্বরে টানা এক মাসের পরিবর্তে দুই দফায় এক মাসের ছুটি কাটাবেন অধস্তন আদালতের বিচারকরা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে ১৫ দিন এবং জুন মাসে ১৫ দিন ছুটি পাবেন তারা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে অধস্তন আদালতে মামলার জট ও বিচারিক কার্যক্রমে বিলম্ব কমানোর বিষয়ে আলোচনা চলছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল রাখতে বার্ষিক ছুটির কাঠামোয় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এর আগে অধস্তন আদালতের বিচারকরা প্রতি বছর ডিসেম্বরে টানা এক মাস ছুটি ভোগ করতেন। ফলে ওই সময় আদালতের স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম প্রায় পুরোপুরি বন্ধ থাকত। নতুন ব্যবস্থায় বছরের দুই ভিন্ন সময়ে ছুটি ভাগ করে নেওয়ায় আদালতের কার্যক্রম দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার সম্ভাবনা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফুলকোর্ট সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এই পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর করা হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আশা করছে, এর ফলে বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বাড়বে এবং মামলার দীর্ঘসূত্রতা কিছুটা হলেও কমবে।
তবে ছুটির এই নতুন কাঠামো অধস্তন আদালতের বিচারকদের কর্মব্যবস্থাপনা ও বিচারিক শৃঙ্খলায় কী ধরনের প্রভাব ফেলবে—সে বিষয়েও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন