পীরগাছায় বিএনপি ছাড়লেন অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী, এনসিপিতে যোগদান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুর-৪ (কাউনিয়া–পীরগাছা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। গত দুই দিনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অন্তত দেড় শতাধিক নেতাকর্মী পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে—এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ দলীয় সিদ্ধান্ত, মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং সাংগঠনিক অচলাবস্থার অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেন। তাদের মধ্যে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী সরাসরি এনসিপিতে যোগদান করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে দলটি।
এনসিপির স্থানীয় নেতারা জানান, যোগদানকারীদের মধ্যে সাবেক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা, ওয়ার্ড সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সক্রিয় মাঠপর্যায়ের কর্মীরা রয়েছেন। এতে করে রংপুর-৪ আসনে এনসিপির সাংগঠনিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এনসিপির এক নেতা বলেন, “মানুষ নতুন রাজনীতির খোঁজে আছে। গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে এনসিপি কাজ করছে। সেই কারণেই বিভিন্ন দল থেকে নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।”
অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বিষয়টিকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের দাবি, কিছু অসন্তুষ্ট কর্মী দল ছেড়েছেন, তবে এতে দলের মূল সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এ ধরনের দলবদল রংপুর-৪ আসনের ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীদের স্থানান্তর নতুন দলগুলোর জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করছে।
এদিকে এনসিপি জানিয়েছে, খুব শিগগিরই পীরগাছা ও কাউনিয়া এলাকায় বড় আকারের জনসভা ও সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পীরগাছায় বিএনপি ছাড়লেন অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী, এনসিপিতে যোগদান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুর-৪ (কাউনিয়া–পীরগাছা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। গত দুই দিনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অন্তত দেড় শতাধিক নেতাকর্মী পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে—এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ দলীয় সিদ্ধান্ত, মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং সাংগঠনিক অচলাবস্থার অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেন। তাদের মধ্যে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী সরাসরি এনসিপিতে যোগদান করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে দলটি।
এনসিপির স্থানীয় নেতারা জানান, যোগদানকারীদের মধ্যে সাবেক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা, ওয়ার্ড সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সক্রিয় মাঠপর্যায়ের কর্মীরা রয়েছেন। এতে করে রংপুর-৪ আসনে এনসিপির সাংগঠনিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এনসিপির এক নেতা বলেন, “মানুষ নতুন রাজনীতির খোঁজে আছে। গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে এনসিপি কাজ করছে। সেই কারণেই বিভিন্ন দল থেকে নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।”
অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বিষয়টিকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের দাবি, কিছু অসন্তুষ্ট কর্মী দল ছেড়েছেন, তবে এতে দলের মূল সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এ ধরনের দলবদল রংপুর-৪ আসনের ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীদের স্থানান্তর নতুন দলগুলোর জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করছে।
এদিকে এনসিপি জানিয়েছে, খুব শিগগিরই পীরগাছা ও কাউনিয়া এলাকায় বড় আকারের জনসভা ও সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন