ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার ঢাবির শিক্ষার্থী সুমির মরদেহ

রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার ঢাবির শিক্ষার্থী সুমির মরদেহ
রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার ঢাবির শিক্ষার্থী সুমির মরদেহ—শেষ স্ট্যাটাসে কী লিখেছিলেন তিনি? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮–১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মোছা. সুমি খাতুনকে কুষ্টিয়ার নিজ বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে তার পরিবারের সদস্যরা প্রথম মরদেহটি দেখতে পান। সুমি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামের গোলাপ রহমানের মেয়ে। ---শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘটনার আগে সুমি তার ফেসবুকে একটি ছোট পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন— “SORRY 2 ME…” অর্থাৎ নিজের প্রতিই দুঃখ প্রকাশ—যা তার মানসিক অবস্থার ইঙ্গিত দেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ---দীর্ঘদিন ধরে লড়ছিলেন বিরল রোগের সাথে সহপাঠীদের মতে, সুমি দীর্ঘদিন ধরে ফাইব্রাস ডিসপ্লেশিয়া নামের বিরল এক রোগে ভুগছিলেন। এ রোগে তার হাড় ক্ষয় হয়ে যায় এবং একাধিক অস্ত্রোপচার করেও উন্নতি হয়নি। বহুদিনের তীব্র ব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা ও চলাফেরার সীমাবদ্ধতা তাকে মানসিকভাবে চাপে ফেলেছিল। তবুও তিনি নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করতেন। বন্ধুরা জানান— শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি পরিবারকে কিছু করতে না পারার বেদনা তাকে আরও অসহায় করে তুলেছিল। ---পরিবারের বিবরণ সুমির খালা মোসা. কাঞ্চনী বলেন— ফজরের নামাজের আগে সুমির বাবা–মা তার রুমে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে রশি কেটে নামানো হয়। পুলিশ এসে তার চিকিৎসার নথিপত্র পর্যালোচনা করে। আজ বাদ যোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ---বিভাগের শোক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অসীম সরকার জানান— “সুমি অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্রী ছিল। অসুস্থতার কারণে তাকে এক বছর পড়াশোনা বিরতি নিতে হয়েছিল। তার মৃত্যু পুরো বিভাগকে শোকাহত করেছে।” ---পুলিশে বক্তব্য মিরপুর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম বলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখা হলেও পুরো বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার ঢাবির শিক্ষার্থী সুমির মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার ঢাবির শিক্ষার্থী সুমির মরদেহ—শেষ স্ট্যাটাসে কী লিখেছিলেন তিনি? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮–১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মোছা. সুমি খাতুনকে কুষ্টিয়ার নিজ বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে তার পরিবারের সদস্যরা প্রথম মরদেহটি দেখতে পান। সুমি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামের গোলাপ রহমানের মেয়ে। ---শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘটনার আগে সুমি তার ফেসবুকে একটি ছোট পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন— “SORRY 2 ME…” অর্থাৎ নিজের প্রতিই দুঃখ প্রকাশ—যা তার মানসিক অবস্থার ইঙ্গিত দেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ---দীর্ঘদিন ধরে লড়ছিলেন বিরল রোগের সাথে সহপাঠীদের মতে, সুমি দীর্ঘদিন ধরে ফাইব্রাস ডিসপ্লেশিয়া নামের বিরল এক রোগে ভুগছিলেন। এ রোগে তার হাড় ক্ষয় হয়ে যায় এবং একাধিক অস্ত্রোপচার করেও উন্নতি হয়নি। বহুদিনের তীব্র ব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা ও চলাফেরার সীমাবদ্ধতা তাকে মানসিকভাবে চাপে ফেলেছিল। তবুও তিনি নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করতেন। বন্ধুরা জানান— শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি পরিবারকে কিছু করতে না পারার বেদনা তাকে আরও অসহায় করে তুলেছিল। ---পরিবারের বিবরণ সুমির খালা মোসা. কাঞ্চনী বলেন— ফজরের নামাজের আগে সুমির বাবা–মা তার রুমে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে রশি কেটে নামানো হয়। পুলিশ এসে তার চিকিৎসার নথিপত্র পর্যালোচনা করে। আজ বাদ যোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ---বিভাগের শোক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অসীম সরকার জানান— “সুমি অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্রী ছিল। অসুস্থতার কারণে তাকে এক বছর পড়াশোনা বিরতি নিতে হয়েছিল। তার মৃত্যু পুরো বিভাগকে শোকাহত করেছে।” ---পুলিশে বক্তব্য মিরপুর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম বলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখা হলেও পুরো বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল