ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীকে সরাসরি দায়ী
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীকে সরাসরি দায়ী করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান। তার অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত করার জন্য জামায়াত পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যাতে নির্বাচন বিলম্বিত হয়।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্যারিস রোডে শাখা ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয় ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সভাপতির প্রার্থিতার বিরুদ্ধে রিট করা এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে গণধর্ষণের হুমকি, রাবি শাখা ছাত্রদল নেত্রীদের প্রতি অমানবিক আচরণ এবং সারাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে।
অমানউল্লাহ আমান বলেন, “ছাত্রশিবিরের মূল সংগঠন জামায়াতে ইসলামী। তারা আসলে কোনো নির্বাচন চাইছে না। দেশে নির্বাচনের পরিবেশ অনুপস্থিত—এটি প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে তারা অরাজকতা সৃষ্টি করছে। নুরুল হক নুরের ওপর হামলা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক প্রায় সব ঘটনায় উভয় পক্ষেই জামায়াতের সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। তারা ভেতরে ঢুকে স্যাবোটাজ তৈরি করছে, তারপর দাবি করছে দেশে নির্বাচন সম্ভব নয়। এটি মূলত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র।”
ডাকসু নির্বাচনে রিট করা নারী শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের হুমকির প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “শিবির বলে থাকে তারা চেইন অব কমান্ড মেনে চলে। তাহলে ওই নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার ঘটনা কি তাদের কমান্ডের ভেতরেই হয়েছে? যদি তাই হয়, তবে এটিই তাদের প্রকৃত আদর্শিক অবস্থানের পরিচয়।”
রাকসু নির্বাচন নিয়েও তিনি অভিযোগ করেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে শিবিরকে সুবিধা পাইয়ে দিতে কাজ করছে। প্রশাসন পুরোপুরিই জামায়াতমুখী হয়ে গেছে। তবে রাজশাহীতে আর কোনো রগ কাটার ইতিহাস হতে দেওয়া হবে না—আমাদের রক্তের শেষ ফোঁটা পর্যন্ত আমরা তা প্রতিহত করব।”
এর আগে রাবি শাখা ছাত্রদল প্যারিস রোড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্যারিস রোডে এসে অবস্থান কর্মসূচিতে মিলিত হয়।
এ কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী, সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল হক সরদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, রাকসু নির্বাচনে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকাভুক্ত করার দাবিতে ইতোমধ্যে কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল ছাত্রদল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান। তার অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত করার জন্য জামায়াত পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যাতে নির্বাচন বিলম্বিত হয়।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্যারিস রোডে শাখা ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয় ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সভাপতির প্রার্থিতার বিরুদ্ধে রিট করা এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে গণধর্ষণের হুমকি, রাবি শাখা ছাত্রদল নেত্রীদের প্রতি অমানবিক আচরণ এবং সারাদেশে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে।
অমানউল্লাহ আমান বলেন, “ছাত্রশিবিরের মূল সংগঠন জামায়াতে ইসলামী। তারা আসলে কোনো নির্বাচন চাইছে না। দেশে নির্বাচনের পরিবেশ অনুপস্থিত—এটি প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে তারা অরাজকতা সৃষ্টি করছে। নুরুল হক নুরের ওপর হামলা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক প্রায় সব ঘটনায় উভয় পক্ষেই জামায়াতের সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। তারা ভেতরে ঢুকে স্যাবোটাজ তৈরি করছে, তারপর দাবি করছে দেশে নির্বাচন সম্ভব নয়। এটি মূলত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র।”
ডাকসু নির্বাচনে রিট করা নারী শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের হুমকির প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “শিবির বলে থাকে তারা চেইন অব কমান্ড মেনে চলে। তাহলে ওই নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার ঘটনা কি তাদের কমান্ডের ভেতরেই হয়েছে? যদি তাই হয়, তবে এটিই তাদের প্রকৃত আদর্শিক অবস্থানের পরিচয়।”
রাকসু নির্বাচন নিয়েও তিনি অভিযোগ করেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে শিবিরকে সুবিধা পাইয়ে দিতে কাজ করছে। প্রশাসন পুরোপুরিই জামায়াতমুখী হয়ে গেছে। তবে রাজশাহীতে আর কোনো রগ কাটার ইতিহাস হতে দেওয়া হবে না—আমাদের রক্তের শেষ ফোঁটা পর্যন্ত আমরা তা প্রতিহত করব।”
এর আগে রাবি শাখা ছাত্রদল প্যারিস রোড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্যারিস রোডে এসে অবস্থান কর্মসূচিতে মিলিত হয়।
এ কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী, সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল হক সরদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, রাকসু নির্বাচনে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকাভুক্ত করার দাবিতে ইতোমধ্যে কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল ছাত্রদল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন