ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার

জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার

জিয়ানগরে পোনামাছ অবমুক্তকরণ

জিয়ানগরে পোনামাছ অবমুক্তকরণ

পিরোজপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃ'ত্যু

পিরোজপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃ'ত্যু

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ইয়া'বা-হেরোইনসহ ৪ মা'দক কারবারি গ্রে'ফতার

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ইয়া'বা-হেরোইনসহ ৪ মা'দক কারবারি গ্রে'ফতার

এক শিক্ষিকায় কয়েক বছর ধরে চলছে পাঠদান, যান ৩০ কিলো দুর থেকে, হুম'কিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা

এক শিক্ষিকায় কয়েক বছর ধরে চলছে পাঠদান, যান ৩০ কিলো দুর থেকে, হুম'কিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা

নোয়াখালীতে বাড়ির সামনে জামায়াত কর্মীকে গু'লি, ঢাকায় স্থানান্তর

নোয়াখালীতে বাড়ির সামনে জামায়াত কর্মীকে গু'লি, ঢাকায় স্থানান্তর

কুড়িগ্রামের মহাসড়ক যেন ফসলের চাতাল: ধান-ভুট্টা ও খড়ের দখলে ম/রণফাঁদে পরিণত

কুড়িগ্রামের মহাসড়ক যেন ফসলের চাতাল: ধান-ভুট্টা ও খড়ের দখলে ম/রণফাঁদে পরিণত

জিয়ানগরে মাদ্রাসার পুরাতন মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে

জিয়ানগরে মাদ্রাসার পুরাতন মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সংকট, দ্বিধায় ঐকমত্য কমিশন

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সংকট, দ্বিধায় ঐকমত্য কমিশন
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সংকট, দ্বিধায় ঐকমত্য কমিশন অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জুলাই সনদ। গত জুলাইয়ে এর চূড়ান্ত বাস্তবায়ন হওয়ার কথা থাকলেও প্রক্রিয়া নির্ধারণে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। এ কারণে ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। কমিশন দ্রুত সনদ বাস্তবায়নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে আগ্রহী। তবে বাস্তবায়ন পদ্ধতি ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশন ইতিমধ্যেই তৃতীয় দফায় আলোচনা শুরু করেছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও ধারাবাহিক বৈঠক করছে। কমিশন সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে আইনি বৈধতা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু এ প্রস্তাব ঘিরেই দলগুলোর মধ্যে গভীর মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী সাংবিধানিক আদেশ ও গণভোটের পক্ষে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে গণভোট শেষ করে সেই ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গণভোটের ফল অনিশ্চিত বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ নির্বাচন করলেই কেবল স্বৈরাচারী কাঠামো দূর করা সম্ভব। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনে করছে, নতুন নতুন প্রস্তাব ঐকমত্যকে দুর্বল করছে। তাদের অবস্থান, সাংবিধানিক সংস্কারের দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের হাতে থাকতে হবে। বিএনপি এতদিন নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কারের দাবি জানালেও এখন কিছুটা নমনীয় হয়েছে। তবে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশকে দলটি সমর্থন করছে না। বৈধ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পাওয়া গেলে বিএনপি তাতে সম্মতি দেবে বলে জানিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, > “রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ জারি করবেন। এরপর গণভোট হবে। এভাবে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ও আইনি স্বীকৃতি মিলবে। যখন এটা আইনের অংশ হয়ে যাবে, তখন জাতীয় নির্বাচনও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।” অন্যদিকে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার মন্তব্য করেন, > “আমাদের মতে, গণপরিষদের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই একমাত্র সমাধান। সাংবিধানিক আদেশ জারির পর তাৎক্ষণিক কার্যকারিতা আসবে ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যতে গণভোটে ভিন্ন ফলাফল এলে জটিলতা তৈরি হবে।” সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সের বক্তব্য, > “সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি আগামী সংসদের জন্য রেখে দেওয়া উচিত। নতুন নতুন প্রস্তাব আনার কারণে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ঐক্যমত ভেঙে পড়ছে।” অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, > “বিদ্যমান সংবিধান বহাল রেখেই যদি আবার নতুন অনুমোদন আনা হয়, তা হলে একটি খারাপ নজির তৈরি হবে। তবে আলোচনার মাধ্যমে বৈধ আইনানুগ পথ বের করা গেলে, সেটি সাংবিধানিকভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে—এ ব্যাপারে আমরা একমত।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সংকট, দ্বিধায় ঐকমত্য কমিশন

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন সংকট, দ্বিধায় ঐকমত্য কমিশন অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জুলাই সনদ। গত জুলাইয়ে এর চূড়ান্ত বাস্তবায়ন হওয়ার কথা থাকলেও প্রক্রিয়া নির্ধারণে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। এ কারণে ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। কমিশন দ্রুত সনদ বাস্তবায়নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে আগ্রহী। তবে বাস্তবায়ন পদ্ধতি ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশন ইতিমধ্যেই তৃতীয় দফায় আলোচনা শুরু করেছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও ধারাবাহিক বৈঠক করছে। কমিশন সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে আইনি বৈধতা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু এ প্রস্তাব ঘিরেই দলগুলোর মধ্যে গভীর মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী সাংবিধানিক আদেশ ও গণভোটের পক্ষে। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে গণভোট শেষ করে সেই ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গণভোটের ফল অনিশ্চিত বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ নির্বাচন করলেই কেবল স্বৈরাচারী কাঠামো দূর করা সম্ভব। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনে করছে, নতুন নতুন প্রস্তাব ঐকমত্যকে দুর্বল করছে। তাদের অবস্থান, সাংবিধানিক সংস্কারের দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের হাতে থাকতে হবে। বিএনপি এতদিন নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কারের দাবি জানালেও এখন কিছুটা নমনীয় হয়েছে। তবে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশকে দলটি সমর্থন করছে না। বৈধ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পাওয়া গেলে বিএনপি তাতে সম্মতি দেবে বলে জানিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, > “রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ জারি করবেন। এরপর গণভোট হবে। এভাবে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ও আইনি স্বীকৃতি মিলবে। যখন এটা আইনের অংশ হয়ে যাবে, তখন জাতীয় নির্বাচনও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।” অন্যদিকে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার মন্তব্য করেন, > “আমাদের মতে, গণপরিষদের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই একমাত্র সমাধান। সাংবিধানিক আদেশ জারির পর তাৎক্ষণিক কার্যকারিতা আসবে ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যতে গণভোটে ভিন্ন ফলাফল এলে জটিলতা তৈরি হবে।” সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সের বক্তব্য, > “সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি আগামী সংসদের জন্য রেখে দেওয়া উচিত। নতুন নতুন প্রস্তাব আনার কারণে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ঐক্যমত ভেঙে পড়ছে।” অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, > “বিদ্যমান সংবিধান বহাল রেখেই যদি আবার নতুন অনুমোদন আনা হয়, তা হলে একটি খারাপ নজির তৈরি হবে। তবে আলোচনার মাধ্যমে বৈধ আইনানুগ পথ বের করা গেলে, সেটি সাংবিধানিকভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে—এ ব্যাপারে আমরা একমত।”

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল