বিশ্বকাপে কেউ এক্সপেরিমেন্ট করতে আসে না, সবাই আসে জিততে
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫
বিশ্বকাপে কেউ এক্সপেরিমেন্ট করতে আসে না, সবাই আসে জিততে—দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে সেই দৃঢ় কথাটিই শোনা গেল বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির কণ্ঠে। ম্যাচে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই করেও তিন উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ, আর তাতে কেঁদে ফেলেন ক্রিকেটাররাও। মাঠে না খেলেও সুমাইয়া, স্বর্ণা, মারুফা, রাবেয়া—সবাই ভাগ করে নিয়েছেন সেই হারার বেদনা। সেই কান্নার মুহূর্ত ছুঁয়ে গেছে কোটি ভক্তের হৃদয়, ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।
মন খারাপ নিয়েই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন অধিনায়ক জ্যোতি। তবে হারের দায় কারও ঘাড়ে চাপাননি তিনি, বরং দলের প্রচেষ্টাকেই প্রশংসা করেছেন।
এক প্রশ্নে সাংবাদিক জানতে চান—ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা না পাওয়ার পেছনে কোনো মানসিক চাপ আছে কি না।
জ্যোতি শান্তভাবে জবাব দেন,
“না, এমন কিছু না। আমি টপ অর্ডারে ব্যাটিং করি রান তোলার জন্যই। প্রথম ম্যাচের পর কয়েক ম্যাচে নিজের ছন্দটা খুঁজে পাচ্ছিলাম না, এতে দলও ভুগেছে। আজকে চেষ্টা করেছি দলকে সাপোর্ট দিতে। যদি আরও কয়েক ওভার টিকে থাকতে পারতাম, ম্যাচের চিত্রটা হয়তো ভিন্ন হতো।”
এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে বাংলাদেশের জয় মাত্র একটিতে। তবে হতাশ নন অধিনায়ক। তার বিশ্বাস, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়াবে দল।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে উঠে আসে তরুণ খেলোয়াড়দের ব্যবহার ও দল নির্বাচনের বিষয়টি—
তরুণদের একদিন সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, পরদিন নয়—তাহলে কি এখানে এক্সপেরিমেন্ট চলছে?
জ্যোতির উত্তর ছিল স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসী—
“বিশ্বকাপে কেউ এক্সপেরিমেন্ট করতে আসে না, সবাই আসে জিততে। প্রতিটি ম্যাচে আমরা প্রতিপক্ষের শক্তি–দুর্বলতা বিবেচনা করেই দল গঠন করি। কখনও বাড়তি ব্যাটার, কখনও লেফট-আর্মার—যে পরিস্থিতিতে যে খেলোয়াড় দলের জন্য সঠিক হবে, তাকেই বেছে নিই। এখানে এক্সপেরিমেন্ট নয়, বরং রাইট টাইমে রাইট চয়েস করাই মূল লক্ষ্য।”
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পরও জ্যোতির কণ্ঠে যে আত্মবিশ্বাস শোনা গেল, তাতে বোঝা যায়—এই দল এখনও লড়াই করতে জানে, এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে জয়ের আশা শেষ হয়নি
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন