প্রবাসী স্বামীর সহায়তায় পড়াশোনা, সরকারি চাকরি পাওয়ার ৭ মাস পর তালাকের অভিযোগ
মালয়েশিয়াপ্রবাসী স্বামী সাইফুল ইসলাম খোকনের আর্থিক সহায়তায় পড়াশোনা ও চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার পর সরকারি চাকরি পাওয়ার প্রায় সাত মাসের মাথায় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস তালাক দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, বিয়ের পর সাইফুল মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে স্ত্রী উচ্চশিক্ষার আগ্রহ প্রকাশ করলে তার পড়াশোনা, কোচিং, ঢাকায় থাকা-খাওয়াসহ বিভিন্ন খরচ তিনি বহন করেন বলে দাবি করেন সাইফুল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ জানুয়ারি ২০২৬ জান্নাতুল ফেরদৌস দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী পদে সরকারি চাকরি পান। সাইফুলের অভিযোগ, চাকরি পাওয়ার পর তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। এর প্রায় সাত মাস পর জান্নাতুল তাকে তালাক দেন।
সাইফুলের দাবি, স্ত্রীকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিশ্রম করেছেন এবং কয়েক বছর ধরে তার পড়াশোনার পেছনে অর্থ ব্যয় করেছেন। সেই স্বপ্ন পূরণের পর দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটায় তিনি কষ্ট পেয়েছেন বলেও জানান।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে জান্নাতুলের পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তার ভাইয়ের দাবি, স্বামী বিদেশে থাকাকালে যথাযথ খোঁজখবর না রাখায় দাম্পত্য সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হয়। এ কারণেই তার বোন তালাকের সিদ্ধান্ত নেন। তবে জান্নাতুলের পড়াশোনা ও কোচিংসহ বিভিন্ন খরচ স্বামীর অর্থেই হয়েছে বলে তিনিও স্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এবং চলমান আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলই গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রবাসী স্বামীর সহায়তায় পড়াশোনা, সরকারি চাকরি পাওয়ার ৭ মাস পর তালাকের অভিযোগ
মালয়েশিয়াপ্রবাসী স্বামী সাইফুল ইসলাম খোকনের আর্থিক সহায়তায় পড়াশোনা ও চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার পর সরকারি চাকরি পাওয়ার প্রায় সাত মাসের মাথায় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস তালাক দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, বিয়ের পর সাইফুল মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে স্ত্রী উচ্চশিক্ষার আগ্রহ প্রকাশ করলে তার পড়াশোনা, কোচিং, ঢাকায় থাকা-খাওয়াসহ বিভিন্ন খরচ তিনি বহন করেন বলে দাবি করেন সাইফুল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ জানুয়ারি ২০২৬ জান্নাতুল ফেরদৌস দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী পদে সরকারি চাকরি পান। সাইফুলের অভিযোগ, চাকরি পাওয়ার পর তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। এর প্রায় সাত মাস পর জান্নাতুল তাকে তালাক দেন।
সাইফুলের দাবি, স্ত্রীকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিশ্রম করেছেন এবং কয়েক বছর ধরে তার পড়াশোনার পেছনে অর্থ ব্যয় করেছেন। সেই স্বপ্ন পূরণের পর দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটায় তিনি কষ্ট পেয়েছেন বলেও জানান।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে জান্নাতুলের পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তার ভাইয়ের দাবি, স্বামী বিদেশে থাকাকালে যথাযথ খোঁজখবর না রাখায় দাম্পত্য সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হয়। এ কারণেই তার বোন তালাকের সিদ্ধান্ত নেন। তবে জান্নাতুলের পড়াশোনা ও কোচিংসহ বিভিন্ন খরচ স্বামীর অর্থেই হয়েছে বলে তিনিও স্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এবং চলমান আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন