ঢাকায় জন্ম, হার্ভার্ডে আইন পড়া আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি
ঢাকায় জন্ম নেওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি আইনজীবী আইরিন জুবাইদা খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে নতুন দায়িত্ব শুরু করেন তিনি।
১৯৫৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় জন্ম নেওয়া আইরিন খানের শৈশবের একটি বড় সময় কাটে বাংলাদেশে। কৈশোরে পড়াশোনার জন্য তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডে পাড়ি জমান। পরে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ল স্কুলে উচ্চশিক্ষা নেন।
কর্মজীবনের শুরুতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরে যোগ দেন আইরিন খান। সেখানে প্রায় ২১ বছর কাজ করেন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেন।
২০০১ সালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হন আইরিন খান। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনটির প্রথম নারী মহাসচিব এবং এশিয়া থেকে আসা প্রথম ব্যক্তি ও প্রথম মুসলিম হিসেবে এই নেতৃত্বে ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে ইউনিভার্সিটি অব সালফোর্ডের চ্যান্সেলর এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বাংলাদেশের সঙ্গেও তাঁর পেশাগত যোগাযোগ ছিল। ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর হিসেবে কাজ করেন।
২০২০ সালে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব নেন আইরিন খান। ডিজিটাল যুগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করেন তিনি।
মানবাধিকার ও শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৬ সালে সিডনি পিস প্রাইজ পান আইরিন খান। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কর্মজীবনের পর এবার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকায় জন্ম, হার্ভার্ডে আইন পড়া আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি
ঢাকায় জন্ম নেওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি আইনজীবী আইরিন জুবাইদা খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে নতুন দায়িত্ব শুরু করেন তিনি।
১৯৫৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় জন্ম নেওয়া আইরিন খানের শৈশবের একটি বড় সময় কাটে বাংলাদেশে। কৈশোরে পড়াশোনার জন্য তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডে পাড়ি জমান। পরে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ল স্কুলে উচ্চশিক্ষা নেন।
কর্মজীবনের শুরুতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরে যোগ দেন আইরিন খান। সেখানে প্রায় ২১ বছর কাজ করেন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেন।
২০০১ সালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হন আইরিন খান। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনটির প্রথম নারী মহাসচিব এবং এশিয়া থেকে আসা প্রথম ব্যক্তি ও প্রথম মুসলিম হিসেবে এই নেতৃত্বে ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে ইউনিভার্সিটি অব সালফোর্ডের চ্যান্সেলর এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বাংলাদেশের সঙ্গেও তাঁর পেশাগত যোগাযোগ ছিল। ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর হিসেবে কাজ করেন।
২০২০ সালে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব নেন আইরিন খান। ডিজিটাল যুগে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করেন তিনি।
মানবাধিকার ও শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৬ সালে সিডনি পিস প্রাইজ পান আইরিন খান। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কর্মজীবনের পর এবার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়।

আপনার মতামত লিখুন