ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না : হাইকোর্টের রুল

গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না : হাইকোর্টের রুল

ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীতে ইলিশের সংকট, কেজি ৩ হাজার টাকা

ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীতে ইলিশের সংকট, কেজি ৩ হাজার টাকা

সৎ মায়ের হাতে নির্যাতনের অভিযোগ, অবশেষে আপন মায়ের কোলে রুবিনা

সৎ মায়ের হাতে নির্যাতনের অভিযোগ, অবশেষে আপন মায়ের কোলে রুবিনা

বাবা, আমাকে বাঁচাও”—টাকার অভাবে বন্ধ আড়াই বছরের তাওসিফের চিকিৎসা

বাবা, আমাকে বাঁচাও”—টাকার অভাবে বন্ধ আড়াই বছরের তাওসিফের চিকিৎসা

ইচ্ছাশক্তির জয়! এক পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাওয়া ভাইরাল রাগিণী পেল নতুন সাইকেল

ইচ্ছাশক্তির জয়! এক পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাওয়া ভাইরাল রাগিণী পেল নতুন সাইকেল

‘শিক্ষা হলো ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি এম এ হান্নান

‘শিক্ষা হলো ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি এম এ হান্নান

চারজনই অসুস্থ, পরিবারের ভার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিথির কাঁধে—টিউশনি করে চলছে চিকিৎসা ও সংসার

চারজনই অসুস্থ, পরিবারের ভার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিথির কাঁধে—টিউশনি করে চলছে চিকিৎসা ও সংসার

বিয়ের আনন্দের রাতেই বিষাদ, বাসররাতে স্ট্রোকে মারা গেলেন নববিবাহিত বর

বিয়ের আনন্দের রাতেই বিষাদ, বাসররাতে স্ট্রোকে মারা গেলেন নববিবাহিত বর

ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীতে ইলিশের সংকট, কেজি ৩ হাজার টাকা

ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীতে ইলিশের সংকট, কেজি ৩ হাজার টাকা

‎ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। অথচ নোয়াখালীতে নেই কাঙ্ক্ষিত ইলিশের সরবরাহ। বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এতে হতাশ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা।


‎নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইলিশঘাট হিসেবে পরিচিত চেয়ারম্যানঘাটে প্রতিদিন ভোরে নদী থেকে মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরছে অসংখ্য নৌকা। এরপর শুরু হয় মাছ নামানো, বাছাই, নিলাম ও বেচাকেনা।


‎তবে ইলিশের মৌসুমে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ইলিশের সরবরাহ অনেকটাই কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

‎ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, নদীতে ইলিশ কমে যাওয়ায় বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।


‎বর্তমানে প্রতি কেজি ইলিশ ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে অনেক সাধারণ ক্রেতাই ইলিশ কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট আকারের ইলিশ কিনছেন, আবার কেউ ইলিশের পরিবর্তে অন্য মাছ বেছে নিচ্ছেন।


‎ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকাসহ ছোট মাছ নিধন, ছোট ইলিশ বড় হওয়ার আগেই ধরে ফেলা এবং মা ইলিশ শিকারের কারণে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কমছে। তাদের দাবি, এসব বিষয়ে প্রশাসনের আরও কার্যকর নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন।


‎মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালীতে গত পাঁচ অর্থবছরে ইলিশ আহরণের পরিমাণ ছিল


‎২০২০-২১: ২২,৬২১ মেট্রিক টন

‎২০২১-২২: ২২,১৯১ মেট্রিক টন

‎২০২২-২৩: ২২,৭৫১ মেট্রিক টন

‎২০২৩-২৪: ১৮,৫৬৪ মেট্রিক টন

‎২০২৪-২৫: ২৩,২৫৬ মেট্রিক টন


‎ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।


‎তাদের প্রত্যাশা, নদীতে আবারও আগের মতো ইলিশের সরবরাহ ফিরবে এবং সাধারণ মানুষও তুলনামূলক কম দামে ইলিশ কিনতে পারবেন।


‎এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের সচেতন করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ইলিশ ধরলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে শুধু অভিযান নয়, জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীতে ইলিশের সংকট, কেজি ৩ হাজার টাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

‎ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। অথচ নোয়াখালীতে নেই কাঙ্ক্ষিত ইলিশের সরবরাহ। বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এতে হতাশ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা।


‎নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইলিশঘাট হিসেবে পরিচিত চেয়ারম্যানঘাটে প্রতিদিন ভোরে নদী থেকে মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরছে অসংখ্য নৌকা। এরপর শুরু হয় মাছ নামানো, বাছাই, নিলাম ও বেচাকেনা।


‎তবে ইলিশের মৌসুমে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ইলিশের সরবরাহ অনেকটাই কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

‎ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, নদীতে ইলিশ কমে যাওয়ায় বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।


‎বর্তমানে প্রতি কেজি ইলিশ ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে অনেক সাধারণ ক্রেতাই ইলিশ কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট আকারের ইলিশ কিনছেন, আবার কেউ ইলিশের পরিবর্তে অন্য মাছ বেছে নিচ্ছেন।


‎ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকাসহ ছোট মাছ নিধন, ছোট ইলিশ বড় হওয়ার আগেই ধরে ফেলা এবং মা ইলিশ শিকারের কারণে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কমছে। তাদের দাবি, এসব বিষয়ে প্রশাসনের আরও কার্যকর নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন।


‎মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালীতে গত পাঁচ অর্থবছরে ইলিশ আহরণের পরিমাণ ছিল


‎২০২০-২১: ২২,৬২১ মেট্রিক টন

‎২০২১-২২: ২২,১৯১ মেট্রিক টন

‎২০২২-২৩: ২২,৭৫১ মেট্রিক টন

‎২০২৩-২৪: ১৮,৫৬৪ মেট্রিক টন

‎২০২৪-২৫: ২৩,২৫৬ মেট্রিক টন


‎ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।


‎তাদের প্রত্যাশা, নদীতে আবারও আগের মতো ইলিশের সরবরাহ ফিরবে এবং সাধারণ মানুষও তুলনামূলক কম দামে ইলিশ কিনতে পারবেন।


‎এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জেলেদের সচেতন করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ইলিশ ধরলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে শুধু অভিযান নয়, জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।



ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল