ভোজিনহার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মেসি, ফাইনালের টিকিট উপহার দেওয়ার দাবি।
ফাইনালে হার, তবু হৃদয় জিতলেন মেসি! প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের পরিবারের জন্য করলেন মানবিক উদ্যোগ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার। তবে সেই হতাশার মাঝেও আলোচনায় এসেছে লিওনেল মেসির এক মানবিক উদ্যোগ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রচলিত দাবি অনুযায়ী, শেষ ষোলোর ম্যাচে আফ্রিকার চমক কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে। ম্যাচটির অন্যতম নায়ক ছিলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। একের পর এক দুর্দান্ত সেভে তিনি আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলেছিলেন। অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নিলেও তার পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছিল মেসিকেও।
এরপর জানা যায়, আর্থিক সংকটের কারণে ভোজিনহার পরিবারের চার সদস্য বিশ্বকাপের ফাইনাল সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে দেখার সামর্থ্য রাখতেন না। দাবি করা হচ্ছে, বিষয়টি জানতে পেরে কোনো প্রচার ছাড়াই নিজের প্রতিনিধির মাধ্যমে তাদের জন্য চারটি ফাইনালের টিকিটের ব্যবস্থা করে দেন মেসি।
আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতোরের বরাত দিয়ে এই তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফিফা, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা মেসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সত্য হলে, মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে মানবিক মূল্যবোধে মেসি যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, সেটিই আবারও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
ভোজিনহার পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মেসি, ফাইনালের টিকিট উপহার দেওয়ার দাবি।
ফাইনালে হার, তবু হৃদয় জিতলেন মেসি! প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের পরিবারের জন্য করলেন মানবিক উদ্যোগ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার। তবে সেই হতাশার মাঝেও আলোচনায় এসেছে লিওনেল মেসির এক মানবিক উদ্যোগ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রচলিত দাবি অনুযায়ী, শেষ ষোলোর ম্যাচে আফ্রিকার চমক কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে। ম্যাচটির অন্যতম নায়ক ছিলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। একের পর এক দুর্দান্ত সেভে তিনি আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলেছিলেন। অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নিলেও তার পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছিল মেসিকেও।
এরপর জানা যায়, আর্থিক সংকটের কারণে ভোজিনহার পরিবারের চার সদস্য বিশ্বকাপের ফাইনাল সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে দেখার সামর্থ্য রাখতেন না। দাবি করা হচ্ছে, বিষয়টি জানতে পেরে কোনো প্রচার ছাড়াই নিজের প্রতিনিধির মাধ্যমে তাদের জন্য চারটি ফাইনালের টিকিটের ব্যবস্থা করে দেন মেসি।
আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতোরের বরাত দিয়ে এই তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফিফা, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা মেসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সত্য হলে, মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে মানবিক মূল্যবোধে মেসি যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, সেটিই আবারও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন