সরকারের সঙ্গে আলোচনায় রাজি নয় সিজেপি, শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক
রাজধানীর যন্তর মন্তরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা সরকারের সঙ্গে প্রস্তাবিত আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে আন্দোলনরত তরুণরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যন্তর মন্তর বা অন্য কোনো নিরপেক্ষ স্থান ছাড়া তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, কেন্দ্রীয় সরকার সিজেপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে প্রশ্নফাঁসের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভেঙে গেছে, অনেকেই চরম হতাশায় আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছেন। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও দাবি করছেন তারা।
এর আগে বুধবার রাতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার পর আন্দোলন আরও বেগবান হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
সরকারের সঙ্গে আলোচনায় রাজি নয় সিজেপি, শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক
রাজধানীর যন্তর মন্তরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা সরকারের সঙ্গে প্রস্তাবিত আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে আন্দোলনরত তরুণরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যন্তর মন্তর বা অন্য কোনো নিরপেক্ষ স্থান ছাড়া তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, কেন্দ্রীয় সরকার সিজেপির সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে প্রশ্নফাঁসের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভেঙে গেছে, অনেকেই চরম হতাশায় আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছেন। এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও দাবি করছেন তারা।
এর আগে বুধবার রাতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার পর আন্দোলন আরও বেগবান হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন