পা হারিয়েও শেষ হয়নি দুর্ভোগ, মামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে আদালতে আট ভুক্তভোগী
চট্টগ্রাম গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার আটজনের অভিযোগ— নির্যাতনের পর উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই দায়ের করা হয় একাধিক মামলা।
চট্টগ্রামে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করা আটজনের জীবন এক যুগ পেরিয়েও স্বাভাবিক হয়নি। গুলিতে পা হারানোর পর দীর্ঘ চিকিৎসা, কর্মহীনতা, শারীরিক যন্ত্রণা এবং একের পর এক মামলার বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তারা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আটক বা হেফাজতে নির্যাতনের পর তাদের পায়ে গুলি করা হয়। পরে ঘটনাগুলো আড়াল করতে তাদের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ফলে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের অভিযোগে ন্যায়বিচার চাওয়ার সুযোগ থেকেও তারা কার্যত বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন।
২০১৩ সালে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন প্রণয়ন হলেও এর কার্যকর প্রয়োগ তারা দেখেননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ভয়, নিরাপত্তাহীনতা এবং পাল্টা মামলার আশঙ্কায় অধিকাংশই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার চাইতে পারেননি।
তাদের মধ্যে কারও বিরুদ্ধে পাঁচটি, কারও ১৯টি, আবার কারও বিরুদ্ধে ৬৫টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে। এসব মামলার অনেকগুলো এখনো বিচারাধীন। নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয়, কর্মহীনতা ও আইনি খরচের চাপে তারা আরও অর্থনৈতিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীরা নিরপেক্ষ তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর সুষ্ঠু পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
পা হারিয়েও শেষ হয়নি দুর্ভোগ, মামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে আদালতে আট ভুক্তভোগী
চট্টগ্রাম গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার আটজনের অভিযোগ— নির্যাতনের পর উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই দায়ের করা হয় একাধিক মামলা।
চট্টগ্রামে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করা আটজনের জীবন এক যুগ পেরিয়েও স্বাভাবিক হয়নি। গুলিতে পা হারানোর পর দীর্ঘ চিকিৎসা, কর্মহীনতা, শারীরিক যন্ত্রণা এবং একের পর এক মামলার বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তারা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আটক বা হেফাজতে নির্যাতনের পর তাদের পায়ে গুলি করা হয়। পরে ঘটনাগুলো আড়াল করতে তাদের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ফলে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের অভিযোগে ন্যায়বিচার চাওয়ার সুযোগ থেকেও তারা কার্যত বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন।
২০১৩ সালে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন প্রণয়ন হলেও এর কার্যকর প্রয়োগ তারা দেখেননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ভয়, নিরাপত্তাহীনতা এবং পাল্টা মামলার আশঙ্কায় অধিকাংশই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার চাইতে পারেননি।
তাদের মধ্যে কারও বিরুদ্ধে পাঁচটি, কারও ১৯টি, আবার কারও বিরুদ্ধে ৬৫টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে। এসব মামলার অনেকগুলো এখনো বিচারাধীন। নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয়, কর্মহীনতা ও আইনি খরচের চাপে তারা আরও অর্থনৈতিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীরা নিরপেক্ষ তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর সুষ্ঠু পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন