বহুবিবাহকে মনের খায়েশ পূরণের অস্ত্রে পরিণত করা যাবে না: শায়খ আহমাদুল্লাহ
ইসলামে বহুবিবাহের বৈধতা থাকলেও এটি কোনোভাবেই ব্যক্তিগত খায়েশ বা প্রবৃত্তি পূরণের মাধ্যম নয় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সম্প্রতি তাঁর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘একাধিক বিয়ে করে আল্লাহর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে পারবেন?’ শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি বলেন, ইসলাম পুরুষদের জন্য একাধিক বিয়ের অনুমতি দিলেও এর সঙ্গে অত্যন্ত কঠোর কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম শর্ত হলো—একাধিক স্ত্রীর সার্বিক ভরণপোষণ বহন করার মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হলো—সব স্ত্রীর প্রতি সমানভাবে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
তিনি বলেন, অনেকেই বহুবিবাহের অনুমতিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এটিকে নিজের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এটি দায়িত্বশীলতা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বিষয়।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, এসব শর্ত পূরণ না করে একাধিক বিয়ে করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তাই বহুবিবাহের বিধানকে হালকাভাবে নেওয়া বা অপব্যবহার করা উচিত নয়।
তিনি মনে করেন, ইসলামের এই বিধান সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকা এবং কিছু মানুষের অপরিপক্ব আচরণের কারণে সমাজে বহুবিবাহ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে সঠিক ধারণা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
বহুবিবাহকে মনের খায়েশ পূরণের অস্ত্রে পরিণত করা যাবে না: শায়খ আহমাদুল্লাহ
ইসলামে বহুবিবাহের বৈধতা থাকলেও এটি কোনোভাবেই ব্যক্তিগত খায়েশ বা প্রবৃত্তি পূরণের মাধ্যম নয় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সম্প্রতি তাঁর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘একাধিক বিয়ে করে আল্লাহর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে পারবেন?’ শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি বলেন, ইসলাম পুরুষদের জন্য একাধিক বিয়ের অনুমতি দিলেও এর সঙ্গে অত্যন্ত কঠোর কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম শর্ত হলো—একাধিক স্ত্রীর সার্বিক ভরণপোষণ বহন করার মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হলো—সব স্ত্রীর প্রতি সমানভাবে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
তিনি বলেন, অনেকেই বহুবিবাহের অনুমতিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এটিকে নিজের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান। অথচ ইসলামের দৃষ্টিতে এটি দায়িত্বশীলতা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বিষয়।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, এসব শর্ত পূরণ না করে একাধিক বিয়ে করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তাই বহুবিবাহের বিধানকে হালকাভাবে নেওয়া বা অপব্যবহার করা উচিত নয়।
তিনি মনে করেন, ইসলামের এই বিধান সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকা এবং কিছু মানুষের অপরিপক্ব আচরণের কারণে সমাজে বহুবিবাহ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে সঠিক ধারণা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন