বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন গাজীপুর জেলা উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের আগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আমি মোঃ সোহাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন, গাজীপুর জেলা উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র কমিটির সভাপতি হিসেবে আজকের এই বিশেষ দিনে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।
প্রথমেই আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও অত্র ছাত্র সংগঠন এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) ভাইয়ের প্রতি, যিনি ছাত্রদের সেবার জন্য এই চমৎকার প্ল্যাটফর্মটি প্রতিষ্ঠা করে আমাদের অভিভাবকের ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম রিদয়, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মোঃ ওয়াজ কুরুনি বাপ্পী, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইমন মিয়াসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি, যারা আমাদের উপর এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
আজ আমরা ৪৭ সদস্যের একটি পূর্ণ ও কার্যকর কমিটি নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম। এই কমিটি কোনো ব্যক্তির নয় — এই কমিটি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কণ্ঠস্বর।
সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাব্বী হোসাইন তার বক্তব্যে যে কথাগুলো তুলে ধরেছেন, তা আমাদের সংগঠনের মূল চেতনার প্রতিফলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন — BOUSA একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন, যার একমাত্র পরিচয় "আমরা শিক্ষার্থী" এবং একমাত্র উদ্দেশ্য "শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা"। তিনি আইডি কার্ডের জটিলতা, বই সংগ্রহ, সার্টিফিকেট প্রাপ্তি ও দাপ্তরিক হয়রানির মতো যে সমস্যাগুলোর কথা বলেছেন, তা আমাদেরও অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে থাকবে। আমি তার সাথে সম্পূর্ণ একমত — প্রতিটি শিক্ষার্থীর এই সমস্যাগুলো সমাধানে আমাদের কমিটি প্রতিটি মুহূর্তে কাজ করে যাবে।
সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম ইসলাম বিজয়ও তার বক্তব্যে যে বিনয় ও দায়বদ্ধতার কথা বলেছেন, তা আমাদের পুরো কমিটির মানসিকতাকেই তুলে ধরে। তিনি বলেছেন, অর্পিত দায়িত্ব সততার সাথে পালন এবং সংগঠনের কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, এবং এজন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন। এই মানসিকতাই আমি প্রতিটি সদস্যের মধ্যে দেখতে চাই — বিনয়, নিষ্ঠা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
আমরা ভালোভাবেই জানি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রচলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একই ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নন — তাদের মধ্যে আছেন চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, প্রবাসী এবং পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া মানুষ। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কমিটির বিস্তারিত কার্যক্রম নির্ধারণ করেছি, যা হবে নিম্নরূপ —
১. ছাত্র-ছাত্রীদের স্টাডি সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য বিনামূল্যে ও নিঃস্বার্থভাবে প্রদান করা।
২. ক্লাস রিলেটেড সমস্যাগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা।
৩. পরীক্ষার রুটিন, এডমিট কার্ড, সেন্টার পরিবর্তন ও ফলাফল সংক্রান্ত কোনো জটিলতা হলে তা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত সমাধানে সহায়তা করা।
৪. সনদপত্র, নম্বরপত্র বা ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনে বিলম্ব বা দাপ্তরিক জটিলতা হলে শিক্ষার্থীদের পক্ষে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সহায়তা করা।
৫. আইডি কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে গেলে বা তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া।
৬. প্রয়োজনীয় বই, গাইড, লেকচার শিট ও সাজেশন সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ বা শেয়ারিংয়ের ব্যবস্থা করা।
৭. যেসব শিক্ষার্থী ইন্টারনেট বা ডিভাইস সমস্যার কারণে অনলাইন ক্লাস/টিউটোরিয়ালে অংশ নিতে পারেন না, তাদের রেকর্ডেড ক্লাস বা বিকল্প উপায়ে সহায়তা করা।
৮. নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়া, কোর্স নির্বাচন ও একাডেমিক নিয়মকানুন সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক তথ্য প্রদান করা।
৯. প্রত্যন্ত অঞ্চলের বা নিজ স্টাডি সেন্টার থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য নিকটবর্তী সহপাঠীদের সাথে যুক্ত করে পরীক্ষা ও ক্লাসের সময় পারস্পরিক সহযোগিতার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
১০. কর্মজীবী শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরি, ইন্টার্নশিপ ও ক্যারিয়ার সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে পৌঁছে দেওয়া।
১১. আর্থিকভাবে অসচ্ছল বা দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাধ্যমতো সহায়তার ব্যবস্থা করা।
১২. নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।
১৩. শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও ঐক্য গড়ে তুলতে নিয়মিত মতবিনিময় সভা ও মিলনমেলার আয়োজন করা।
১৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ, সিদ্ধান্ত বা নিয়মে কোনো পরিবর্তন এলে তা দ্রুততম সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া, যাতে কোনো শিক্ষার্থী তথ্যের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই — এই সংগঠন কোনো বিশৃঙ্খলা বা সংঘাতে বিশ্বাসী নয়। আমরা শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব।
আমি আমাদের নবগঠিত কমিটির প্রতিটি সদস্যকে অনুরোধ করছি — আসুন, আমরা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সম্মিলিতভাবে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ভ্রাতৃত্ববোধ, পরস্পরের প্রতি সম্মান ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে আমরা একটি সুন্দর সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলব।
সবার কাছে দোয়া চাই, যাতে আমরা এই দায়িত্ব সততা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করতে পারি।
**"উন্মুক্ত জ্ঞান, একতাবদ্ধ প্রাণ"**
বাউবি ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন এগিয়ে যাক।
সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
**মোঃ সোহাগ**
সভাপতি
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন
গাজীপুর জেলা উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র কমিটি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন গাজীপুর জেলা উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের আগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আমি মোঃ সোহাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন, গাজীপুর জেলা উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র কমিটির সভাপতি হিসেবে আজকের এই বিশেষ দিনে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।
প্রথমেই আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও অত্র ছাত্র সংগঠন এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) ভাইয়ের প্রতি, যিনি ছাত্রদের সেবার জন্য এই চমৎকার প্ল্যাটফর্মটি প্রতিষ্ঠা করে আমাদের অভিভাবকের ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই সাধারণ সম্পাদক আশিকুল ইসলাম রিদয়, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মোঃ ওয়াজ কুরুনি বাপ্পী, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইমন মিয়াসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি, যারা আমাদের উপর এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
আজ আমরা ৪৭ সদস্যের একটি পূর্ণ ও কার্যকর কমিটি নিয়ে যাত্রা শুরু করলাম। এই কমিটি কোনো ব্যক্তির নয় — এই কমিটি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কণ্ঠস্বর।
সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাব্বী হোসাইন তার বক্তব্যে যে কথাগুলো তুলে ধরেছেন, তা আমাদের সংগঠনের মূল চেতনার প্রতিফলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন — BOUSA একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন, যার একমাত্র পরিচয় "আমরা শিক্ষার্থী" এবং একমাত্র উদ্দেশ্য "শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা"। তিনি আইডি কার্ডের জটিলতা, বই সংগ্রহ, সার্টিফিকেট প্রাপ্তি ও দাপ্তরিক হয়রানির মতো যে সমস্যাগুলোর কথা বলেছেন, তা আমাদেরও অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে থাকবে। আমি তার সাথে সম্পূর্ণ একমত — প্রতিটি শিক্ষার্থীর এই সমস্যাগুলো সমাধানে আমাদের কমিটি প্রতিটি মুহূর্তে কাজ করে যাবে।
সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম ইসলাম বিজয়ও তার বক্তব্যে যে বিনয় ও দায়বদ্ধতার কথা বলেছেন, তা আমাদের পুরো কমিটির মানসিকতাকেই তুলে ধরে। তিনি বলেছেন, অর্পিত দায়িত্ব সততার সাথে পালন এবং সংগঠনের কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, এবং এজন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন। এই মানসিকতাই আমি প্রতিটি সদস্যের মধ্যে দেখতে চাই — বিনয়, নিষ্ঠা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
আমরা ভালোভাবেই জানি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রচলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একই ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নন — তাদের মধ্যে আছেন চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, প্রবাসী এবং পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া মানুষ। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কমিটির বিস্তারিত কার্যক্রম নির্ধারণ করেছি, যা হবে নিম্নরূপ —
১. ছাত্র-ছাত্রীদের স্টাডি সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য বিনামূল্যে ও নিঃস্বার্থভাবে প্রদান করা।
২. ক্লাস রিলেটেড সমস্যাগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা।
৩. পরীক্ষার রুটিন, এডমিট কার্ড, সেন্টার পরিবর্তন ও ফলাফল সংক্রান্ত কোনো জটিলতা হলে তা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত সমাধানে সহায়তা করা।
৪. সনদপত্র, নম্বরপত্র বা ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনে বিলম্ব বা দাপ্তরিক জটিলতা হলে শিক্ষার্থীদের পক্ষে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সহায়তা করা।
৫. আইডি কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে গেলে বা তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া।
৬. প্রয়োজনীয় বই, গাইড, লেকচার শিট ও সাজেশন সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ বা শেয়ারিংয়ের ব্যবস্থা করা।
৭. যেসব শিক্ষার্থী ইন্টারনেট বা ডিভাইস সমস্যার কারণে অনলাইন ক্লাস/টিউটোরিয়ালে অংশ নিতে পারেন না, তাদের রেকর্ডেড ক্লাস বা বিকল্প উপায়ে সহায়তা করা।
৮. নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়া, কোর্স নির্বাচন ও একাডেমিক নিয়মকানুন সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক তথ্য প্রদান করা।
৯. প্রত্যন্ত অঞ্চলের বা নিজ স্টাডি সেন্টার থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য নিকটবর্তী সহপাঠীদের সাথে যুক্ত করে পরীক্ষা ও ক্লাসের সময় পারস্পরিক সহযোগিতার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
১০. কর্মজীবী শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরি, ইন্টার্নশিপ ও ক্যারিয়ার সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে পৌঁছে দেওয়া।
১১. আর্থিকভাবে অসচ্ছল বা দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাধ্যমতো সহায়তার ব্যবস্থা করা।
১২. নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।
১৩. শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি ও ঐক্য গড়ে তুলতে নিয়মিত মতবিনিময় সভা ও মিলনমেলার আয়োজন করা।
১৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ, সিদ্ধান্ত বা নিয়মে কোনো পরিবর্তন এলে তা দ্রুততম সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া, যাতে কোনো শিক্ষার্থী তথ্যের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই — এই সংগঠন কোনো বিশৃঙ্খলা বা সংঘাতে বিশ্বাসী নয়। আমরা শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব।
আমি আমাদের নবগঠিত কমিটির প্রতিটি সদস্যকে অনুরোধ করছি — আসুন, আমরা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সম্মিলিতভাবে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ভ্রাতৃত্ববোধ, পরস্পরের প্রতি সম্মান ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে আমরা একটি সুন্দর সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলব।
সবার কাছে দোয়া চাই, যাতে আমরা এই দায়িত্ব সততা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করতে পারি।
**"উন্মুক্ত জ্ঞান, একতাবদ্ধ প্রাণ"**
বাউবি ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন এগিয়ে যাক।
সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
**মোঃ সোহাগ**
সভাপতি
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন
গাজীপুর জেলা উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন