যৌতুকের ১ লাখ টাকার জন্য স্ত্রীকে গলা কাটার অভিযোগ, কুমিল্লায় স্বামী পুলিশ হেফাজতে
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় যৌতুকের জন্য ১ লাখ টাকা এনে দিতে না পারায় এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর রাতে উপজেলার জিয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাজল বলরামপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে। তিনি স্ত্রী ইভা আক্তারকে নিয়ে জিয়াপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ইভা স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে কাজল বাড়ির মালিককে গিয়ে দাবি করেন যে তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘরে গিয়ে ইভাকে রক্তাক্ত কিন্তু জীবিত অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত নারীর বড় বোনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিদেশে যাওয়ার অজুহাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে একাধিকবার টাকা দাবি করতেন কাজল। এর আগেও কিস্তি তুলে টাকা দেওয়া হলেও সম্প্রতি আরও ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় ইভাকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো এবং পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুতফুর রহমান জানান, শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করার দাবি করেন। একই সময় ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং অভিযুক্ত স্বামী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কী পরিস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতার একটি গুরুতর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আপনি চাইলে এটিকে আরও আবেগঘন, ভাইরাল বা ইউটিউব ভয়েসওভারের উপযোগী করে সাজিয়েও দিতে পারি।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
যৌতুকের ১ লাখ টাকার জন্য স্ত্রীকে গলা কাটার অভিযোগ, কুমিল্লায় স্বামী পুলিশ হেফাজতে
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় যৌতুকের জন্য ১ লাখ টাকা এনে দিতে না পারায় এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর রাতে উপজেলার জিয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাজল বলরামপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে। তিনি স্ত্রী ইভা আক্তারকে নিয়ে জিয়াপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ইভা স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে কাজল বাড়ির মালিককে গিয়ে দাবি করেন যে তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘরে গিয়ে ইভাকে রক্তাক্ত কিন্তু জীবিত অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত নারীর বড় বোনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিদেশে যাওয়ার অজুহাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে একাধিকবার টাকা দাবি করতেন কাজল। এর আগেও কিস্তি তুলে টাকা দেওয়া হলেও সম্প্রতি আরও ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় ইভাকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো এবং পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুতফুর রহমান জানান, শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করার দাবি করেন। একই সময় ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং অভিযুক্ত স্বামী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কী পরিস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতার একটি গুরুতর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আপনি চাইলে এটিকে আরও আবেগঘন, ভাইরাল বা ইউটিউব ভয়েসওভারের উপযোগী করে সাজিয়েও দিতে পারি।

আপনার মতামত লিখুন