১৭ বছরের সংসার ভেঙে পথে আমেনা বেগম: ‘ডাল-ভাত চেয়েছিলাম, পেলাম ডিভোর্স ও নির্যাতন’”
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকার ধোলাইপাড়ে বসবাসকারী আমেনা বেগম তার স্বামী আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, প্রায় ১৭ বছরের সংসার জীবনের পর তাকে একতরফাভাবে ডিভোর্স দিয়ে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে।
আমেনা বেগমের অভিযোগ, তিনি কখনো স্বামীর কাছে বিলাসী কোনো দাবি করেননি। শুধু দুবেলা ডাল-ভাত ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু চার বছর আগে তাকে তালাক দেওয়া হয় এবং এরপরও বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, বিয়ের সময় উভয় পক্ষের সম্মতি ও সাক্ষীর প্রয়োজন হলেও তালাকের ক্ষেত্রে কেন স্ত্রীর স্বাক্ষর বা উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। একজন স্ত্রীকে না জানিয়ে কীভাবে ডিভোর্স কার্যকর হয়, সে বিষয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, তার শ্বশুর-শাশুড়ি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছ থেকেও দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। প্রতিবাদ করায় তাকে আরও বেশি হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। এমনকি একসময় সংসার মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আমেনা বেগম আরও বলেন, তার অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সংসার চালাতে না পেরে তাকে মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্য চাইতে হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, থানায় ও আদালতে একাধিকবার গেলেও এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত বিচার পাননি।
নিজের অভিযোগে তিনি আরও বলেন, ডিভোর্সের পর তার স্বামী একাধিক বিয়ে করেছেন, অথচ তিনি ও তার সন্তান ন্যূনতম অধিকার থেকেও বঞ্চিত। বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
দেশের মানুষের কাছে বিচার চেয়ে আমেনা বেগম বলেন, তিনি শুধু নিজের এবং সন্তানের অধিকার চান। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টির সত্যতা ও অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
১৭ বছরের সংসার ভেঙে পথে আমেনা বেগম: ‘ডাল-ভাত চেয়েছিলাম, পেলাম ডিভোর্স ও নির্যাতন’”
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকার ধোলাইপাড়ে বসবাসকারী আমেনা বেগম তার স্বামী আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, প্রায় ১৭ বছরের সংসার জীবনের পর তাকে একতরফাভাবে ডিভোর্স দিয়ে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে।
আমেনা বেগমের অভিযোগ, তিনি কখনো স্বামীর কাছে বিলাসী কোনো দাবি করেননি। শুধু দুবেলা ডাল-ভাত ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু চার বছর আগে তাকে তালাক দেওয়া হয় এবং এরপরও বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, বিয়ের সময় উভয় পক্ষের সম্মতি ও সাক্ষীর প্রয়োজন হলেও তালাকের ক্ষেত্রে কেন স্ত্রীর স্বাক্ষর বা উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। একজন স্ত্রীকে না জানিয়ে কীভাবে ডিভোর্স কার্যকর হয়, সে বিষয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, তার শ্বশুর-শাশুড়ি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছ থেকেও দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। প্রতিবাদ করায় তাকে আরও বেশি হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। এমনকি একসময় সংসার মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আমেনা বেগম আরও বলেন, তার অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সংসার চালাতে না পেরে তাকে মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্য চাইতে হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, থানায় ও আদালতে একাধিকবার গেলেও এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত বিচার পাননি।
নিজের অভিযোগে তিনি আরও বলেন, ডিভোর্সের পর তার স্বামী একাধিক বিয়ে করেছেন, অথচ তিনি ও তার সন্তান ন্যূনতম অধিকার থেকেও বঞ্চিত। বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
দেশের মানুষের কাছে বিচার চেয়ে আমেনা বেগম বলেন, তিনি শুধু নিজের এবং সন্তানের অধিকার চান। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টির সত্যতা ও অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন