স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবি, এরপরই বদলি সিলেটের জেলা প্রশাসক
শাহপরান মাজারে অনিয়মের বিরুদ্ধে বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বদলি ডিসি সারোয়ার আলম, শুরু হয়েছে নানা আলোচনা
সিলেটের হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারে মাদক, চাঁদাবাজি ও আয়-ব্যয়ের অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বদলি করা হয়েছে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারোয়ার আলমকে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় জনমনে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম বলেন, মাজার এলাকায় কোনো ধরনের মাদকসেবন, চাঁদাবাজি কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। পাশাপাশি দানবাক্সের অর্থের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তার বক্তব্যের পরদিনই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। তবে বদলির কারণ সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সারোয়ার আলম নিজেও বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ নাকি সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে, শাহপরান (রহ.) মাজারের ভক্ত ও অনুসারীদের একটি অংশ জেলা প্রশাসনের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, শতাব্দীপ্রাচীন মাজার পরিচালনার ঐতিহ্য ও রীতিনীতি যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, হিসাব-নিকাশের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও প্রচলিত নিয়ম মেনে হওয়া উচিত।
তবে সাধারণ মানুষের একটি অংশ মাজারসহ সব ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে, ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা রক্ষায় অনিয়ম ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, সারোয়ার আলম গত বছরের ১৮ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন জেলা প্রশাসকের নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবি, এরপরই বদলি সিলেটের জেলা প্রশাসক
শাহপরান মাজারে অনিয়মের বিরুদ্ধে বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বদলি ডিসি সারোয়ার আলম, শুরু হয়েছে নানা আলোচনা
সিলেটের হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারে মাদক, চাঁদাবাজি ও আয়-ব্যয়ের অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বদলি করা হয়েছে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারোয়ার আলমকে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় জনমনে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম বলেন, মাজার এলাকায় কোনো ধরনের মাদকসেবন, চাঁদাবাজি কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। পাশাপাশি দানবাক্সের অর্থের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তার বক্তব্যের পরদিনই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। তবে বদলির কারণ সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সারোয়ার আলম নিজেও বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ নাকি সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে, শাহপরান (রহ.) মাজারের ভক্ত ও অনুসারীদের একটি অংশ জেলা প্রশাসনের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, শতাব্দীপ্রাচীন মাজার পরিচালনার ঐতিহ্য ও রীতিনীতি যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, হিসাব-নিকাশের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও প্রচলিত নিয়ম মেনে হওয়া উচিত।
তবে সাধারণ মানুষের একটি অংশ মাজারসহ সব ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে, ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা রক্ষায় অনিয়ম ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, সারোয়ার আলম গত বছরের ১৮ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন জেলা প্রশাসকের নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন