নুসরাত মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা, গ্রেপ্তার মেডিকেল শিক্ষার্থী সাকিন
রংপুরের নর্থ ভিউ হোটেলের নবম তলার ছাদ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুসরাতের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে একমাত্র আসামি করা হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ সাকিনকে হেফাজতে নেয় এবং পরে গ্রেপ্তার দেখায়। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
শাহরিয়ার আহমেদ সাকিন দাবি করেছেন, নুসরাতের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে নুসরাত বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি তাকে পড়ানো বন্ধ করে দেন। এরপরও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে জানান। ঘটনার দিন তিনি অন্য একটি টিউশনে ব্যস্ত ছিলেন বলেও দাবি করেন।
অন্যদিকে, নুসরাতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কিছু ঘটনার কারণে নুসরাত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং সেই পরিস্থিতির পেছনে সাকিনের ভূমিকা ছিল। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, নুসরাত একাই নর্থ ভিউ হোটেলের ছাদে ওঠেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন, পায়চারি করেন এবং মোবাইল ফোনে কথা বলেন। পরে তিনি ছাদের রেলিংয়ের কাছে গেলে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত মানসিক সংকট, নাকি অন্য কোনো প্রভাবক কাজ করেছে—সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে আইনগতভাবে দোষী বলা যাবে না। তাই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
নুসরাত মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা, গ্রেপ্তার মেডিকেল শিক্ষার্থী সাকিন
রংপুরের নর্থ ভিউ হোটেলের নবম তলার ছাদ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুসরাতের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে একমাত্র আসামি করা হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ সাকিনকে হেফাজতে নেয় এবং পরে গ্রেপ্তার দেখায়। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
শাহরিয়ার আহমেদ সাকিন দাবি করেছেন, নুসরাতের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে নুসরাত বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি তাকে পড়ানো বন্ধ করে দেন। এরপরও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে জানান। ঘটনার দিন তিনি অন্য একটি টিউশনে ব্যস্ত ছিলেন বলেও দাবি করেন।
অন্যদিকে, নুসরাতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কিছু ঘটনার কারণে নুসরাত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং সেই পরিস্থিতির পেছনে সাকিনের ভূমিকা ছিল। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এর আগে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, নুসরাত একাই নর্থ ভিউ হোটেলের ছাদে ওঠেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন, পায়চারি করেন এবং মোবাইল ফোনে কথা বলেন। পরে তিনি ছাদের রেলিংয়ের কাছে গেলে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত মানসিক সংকট, নাকি অন্য কোনো প্রভাবক কাজ করেছে—সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে আইনগতভাবে দোষী বলা যাবে না। তাই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন