চিংড়ি মাছের আবদার পূরণ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন প্রবাসী বাবা, অনাথ দুই কন্যা
দশ বছর প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাত্র দুই মাসের ছুটিতে দেশে ফিরেছিলেন স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে কিছু সুখের মুহূর্ত কাটানোর জন্য। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে সেই ফেরা হয়ে গেল জীবনের শেষ ফেরা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই মেয়ের আবদার ছিল চিংড়ি মাছ খাওয়ার। সেই আবদার পূরণ করতে বাজার থেকে চিংড়ি মাছ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। বুকভরা ভালোবাসা আর সন্তানদের মুখে হাসি দেখার স্বপ্ন নিয়ে পথ চললেও ঝিনাইদহের এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই প্রবাসী।
নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় ১০ বছর বিদেশে থেকে পরিবারকে ভালো রাখার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন তিনি। দেশে ফিরে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর আগেই অকালে ঝরে গেল তার জীবন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, যে বাবা দুই মেয়ের জন্য চিংড়ি মাছ নিয়ে ফিরছিলেন, সেই বাবা আর জীবিত অবস্থায় ঘরে ফিরতে পারেননি। ফিরেছেন সাদা কাফনে মোড়ানো নিথর দেহ হয়ে। বাবার অপেক্ষায় থাকা অবুঝ দুই কন্যা আজও হয়তো বুঝতে পারছে না, কেন তাদের প্রিয় মানুষটি আর কোনোদিন ফিরে আসবে না।
স্থানীয়রা এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
চিংড়ি মাছের আবদার পূরণ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন প্রবাসী বাবা, অনাথ দুই কন্যা
দশ বছর প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাত্র দুই মাসের ছুটিতে দেশে ফিরেছিলেন স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে কিছু সুখের মুহূর্ত কাটানোর জন্য। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে সেই ফেরা হয়ে গেল জীবনের শেষ ফেরা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই মেয়ের আবদার ছিল চিংড়ি মাছ খাওয়ার। সেই আবদার পূরণ করতে বাজার থেকে চিংড়ি মাছ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। বুকভরা ভালোবাসা আর সন্তানদের মুখে হাসি দেখার স্বপ্ন নিয়ে পথ চললেও ঝিনাইদহের এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই প্রবাসী।
নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় ১০ বছর বিদেশে থেকে পরিবারকে ভালো রাখার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন তিনি। দেশে ফিরে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর আগেই অকালে ঝরে গেল তার জীবন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, যে বাবা দুই মেয়ের জন্য চিংড়ি মাছ নিয়ে ফিরছিলেন, সেই বাবা আর জীবিত অবস্থায় ঘরে ফিরতে পারেননি। ফিরেছেন সাদা কাফনে মোড়ানো নিথর দেহ হয়ে। বাবার অপেক্ষায় থাকা অবুঝ দুই কন্যা আজও হয়তো বুঝতে পারছে না, কেন তাদের প্রিয় মানুষটি আর কোনোদিন ফিরে আসবে না।
স্থানীয়রা এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আপনার মতামত লিখুন