বগুড়ার মোকামতলায় রোববার দুপুর সোয়া১২টায় ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া), মোকামতলা শাখা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভরা নানা বৈষম্য, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ ও চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করছেন। স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাঁদের জন্য এখনো মানসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হয়নি। দ্রুত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে,
প্রথম দাবী, ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করা।
দ্বিতীয় দাবী, অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইম ভাতা প্রদান।
তৃতীয় দাবী, চাকরির বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি।
চতুর্থ দাবী, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিবছর টিএ/ডিএ বিল বাড়ানো।
পঞ্চম দাবী, বেসিক স্যালারি ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নির্ধারণ করে চাকরির পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কর্মীদের বেতন থেকে কোনো অর্থ কর্তন ছাড়াই মোটরসাইকেল বা যানবাহন প্রদান এবং চাকরিচ্যুত কর্মীদের জন্য ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ বাধ্যতামূলক করা।
তারা আরও বলেন, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ন্যায্য বেতন-ভাতা ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
বগুড়ার মোকামতলায় রোববার দুপুর সোয়া১২টায় ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া), মোকামতলা শাখা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভরা নানা বৈষম্য, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ ও চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করছেন। স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাঁদের জন্য এখনো মানসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হয়নি। দ্রুত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে,
প্রথম দাবী, ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস নিশ্চিত করা।
দ্বিতীয় দাবী, অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইম ভাতা প্রদান।
তৃতীয় দাবী, চাকরির বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি।
চতুর্থ দাবী, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিবছর টিএ/ডিএ বিল বাড়ানো।
পঞ্চম দাবী, বেসিক স্যালারি ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নির্ধারণ করে চাকরির পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কর্মীদের বেতন থেকে কোনো অর্থ কর্তন ছাড়াই মোটরসাইকেল বা যানবাহন প্রদান এবং চাকরিচ্যুত কর্মীদের জন্য ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ বাধ্যতামূলক করা।
তারা আরও বলেন, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ন্যায্য বেতন-ভাতা ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন