বগুড়ার সদর উপজেলায় নবজাতক সন্তানকে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে মা ও তার বর্তমান স্বামীকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের তেলিহারা গ্রামের উত্তরপাড়ায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারুলী এলাকার শুকুর আলীর সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে গাবতলী উপজেলার নিপার বিয়ে হয়। দাম্পত্য কলহের কারণে প্রায় ছয় মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে চলতি বছরের রমজানে নিপা শেখেরকোলা ইউনিয়নের দুলাল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে নিপা একটি পুত্রসন্তান প্রসব করেন। এরপর লোকলজ্জার ভয়ে নবজাতক শিশুটির গলায় ব্লেড চালিয়ে হত্যা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
শনিবার সকালে এলাকার মিষ্টার এক ব্যক্তি পুকুরে ঘাস ধোয়ার জন্য গেলে নবজাতকে পানিতে ভাসতে দেখতে পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিপা ও তার বর্তমান স্বামী দুলালকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা এই ঘটনাকে অত্যন্ত নৃশংস বলে উল্লেখ করে বলেন, এমন ঘটনা এলাকায় আগে কখনও ঘটেনি। পুরো এলাকায় এখন শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মামলা হবে। এদিকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে ।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
বগুড়ার সদর উপজেলায় নবজাতক সন্তানকে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে মা ও তার বর্তমান স্বামীকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের তেলিহারা গ্রামের উত্তরপাড়ায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারুলী এলাকার শুকুর আলীর সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে গাবতলী উপজেলার নিপার বিয়ে হয়। দাম্পত্য কলহের কারণে প্রায় ছয় মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে চলতি বছরের রমজানে নিপা শেখেরকোলা ইউনিয়নের দুলাল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে নিপা একটি পুত্রসন্তান প্রসব করেন। এরপর লোকলজ্জার ভয়ে নবজাতক শিশুটির গলায় ব্লেড চালিয়ে হত্যা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
শনিবার সকালে এলাকার মিষ্টার এক ব্যক্তি পুকুরে ঘাস ধোয়ার জন্য গেলে নবজাতকে পানিতে ভাসতে দেখতে পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিপা ও তার বর্তমান স্বামী দুলালকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা এই ঘটনাকে অত্যন্ত নৃশংস বলে উল্লেখ করে বলেন, এমন ঘটনা এলাকায় আগে কখনও ঘটেনি। পুরো এলাকায় এখন শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মামলা হবে। এদিকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে ।

আপনার মতামত লিখুন