ইতালির পালেরমো শহরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিন (৩৮)–কে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ ইউরো জরিমানা করেছে আদালত। স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশের বরাত অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে বেশ কিছুদিন আগে, যার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করে।
রায়ে বলা হয়, অভিযুক্ত আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির মধ্যে একটি দেয়। পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ লাখ ইউরো দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। তবে রায় ঘোষণার আগেই আলাউদ্দিন দেশত্যাগ করেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন এবং তাকে খুঁজে বের করতে ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বিচার চলাকালীন সময়েই তিনি এলাকা থেকে সরে পড়েন। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ইউরোপের অন্য কোনো দেশে চলে গেছেন বা আত্মগোপনে রয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে এবং প্রয়োজন হলে ইন্টারপোলের সহায়তাও নেওয়া হতে পারে।
এদিকে আদালতের এ রায়কে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে আসামি পলাতক থাকায় এখনো পুরো আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ইতালির পালেরমো শহরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিন (৩৮)–কে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ ইউরো জরিমানা করেছে আদালত। স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশের বরাত অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে বেশ কিছুদিন আগে, যার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করে।
রায়ে বলা হয়, অভিযুক্ত আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির মধ্যে একটি দেয়। পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ লাখ ইউরো দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। তবে রায় ঘোষণার আগেই আলাউদ্দিন দেশত্যাগ করেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন এবং তাকে খুঁজে বের করতে ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বিচার চলাকালীন সময়েই তিনি এলাকা থেকে সরে পড়েন। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ইউরোপের অন্য কোনো দেশে চলে গেছেন বা আত্মগোপনে রয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে এবং প্রয়োজন হলে ইন্টারপোলের সহায়তাও নেওয়া হতে পারে।
এদিকে আদালতের এ রায়কে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে আসামি পলাতক থাকায় এখনো পুরো আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন