বৃদ্ধ বাবার রক্ত ঝরালো মেয়ে! মোংলায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে নুরজাহানের তাণ্ডব
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা-র উত্তর মালগাজী গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, সম্পত্তির লোভে নিজের ৯০ বছর বয়সী বাবা হায়দার আলীকে কুপিয়ে জখম করেছেন মেয়ে নুরজাহান ও তার স্বামী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে কেনা নিজের ৮ কাঠা জমির মধ্যে ৪ কাঠা জমি মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নুরজাহানের নামে লিখে দেন হায়দার আলী। উদ্দেশ্য ছিল, মেয়েটি যেন বাবার কাছেই থাকে। কিন্তু পরে বাকি ৪ কাঠা জমিও দখলের চেষ্টা শুরু করে নুরজাহান ও তার স্বামী। একপর্যায়ে বৃদ্ধ বাবা ও ছোট ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালত হায়দার আলীর মালিকানা নিশ্চিত করলে নিজের অংশের জমিতে ফিরতে যান তিনি। তখনই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, নুরজাহান ও তার স্বামী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হায়দার আলী এবং তার এক নাতির ওপর হামলা চালান। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও অভিযুক্তদের আচরণ ছিল অত্যন্ত বেপরোয়া।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, যে বাবা মেয়ের জন্য নিজের কষ্টার্জিত জমি লিখে দিলেন, সেই বাবার ওপর এমন হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
বৃদ্ধ বাবার রক্ত ঝরালো মেয়ে! মোংলায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে নুরজাহানের তাণ্ডব
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা-র উত্তর মালগাজী গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, সম্পত্তির লোভে নিজের ৯০ বছর বয়সী বাবা হায়দার আলীকে কুপিয়ে জখম করেছেন মেয়ে নুরজাহান ও তার স্বামী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে কেনা নিজের ৮ কাঠা জমির মধ্যে ৪ কাঠা জমি মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নুরজাহানের নামে লিখে দেন হায়দার আলী। উদ্দেশ্য ছিল, মেয়েটি যেন বাবার কাছেই থাকে। কিন্তু পরে বাকি ৪ কাঠা জমিও দখলের চেষ্টা শুরু করে নুরজাহান ও তার স্বামী। একপর্যায়ে বৃদ্ধ বাবা ও ছোট ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালত হায়দার আলীর মালিকানা নিশ্চিত করলে নিজের অংশের জমিতে ফিরতে যান তিনি। তখনই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, নুরজাহান ও তার স্বামী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হায়দার আলী এবং তার এক নাতির ওপর হামলা চালান। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও অভিযুক্তদের আচরণ ছিল অত্যন্ত বেপরোয়া।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, যে বাবা মেয়ের জন্য নিজের কষ্টার্জিত জমি লিখে দিলেন, সেই বাবার ওপর এমন হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন