রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভিন্নধর্মী মানবিক উদ্যোগের নজির দেখা গেল, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ আর একাত্মতার এক সুন্দর পরিবেশ তৈরি করেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়–এর বিজয়-২৪ হলে গাছভর্তি পাকা লিচু পেড়ে তা শিক্ষার্থীদের রুমে রুমে পৌঁছে দিয়েছেন হল সংসদের নেতারা। শুক্রবার দুপুরে পরিচালিত এই উদ্যোগ মুহূর্তেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।
সাধারণত হল প্রশাসন বা ছাত্রনেতাদের কার্যক্রম নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শোনা যায়। তবে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যেন সেই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে এক অন্যরকম বার্তা দিল—নেতৃত্ব মানেই শুধু দায়িত্ব নয়, বরং আন্তরিকতা আর সহমর্মিতার প্রকাশও হতে পারে। গাছের লিচু সবার মাঝে ভাগ করে দেওয়ার এই ছোট উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হলটির প্রোভোস্ট অধ্যাপক মো. জামিরুল ইসলাম, যিনি পুরো কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, এমন ছোট ছোট উদ্যোগই হল জীবনে আনন্দের রঙ যোগ করে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও নেতৃত্বের মধ্যে দূরত্ব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে, এই উদ্যোগ শুধু লিচু বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি—এটি হয়ে উঠেছে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত, যা দেখিয়ে দেয় মানবিকতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে একটি ক্যাম্পাস কতটা প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভিন্নধর্মী মানবিক উদ্যোগের নজির দেখা গেল, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ আর একাত্মতার এক সুন্দর পরিবেশ তৈরি করেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়–এর বিজয়-২৪ হলে গাছভর্তি পাকা লিচু পেড়ে তা শিক্ষার্থীদের রুমে রুমে পৌঁছে দিয়েছেন হল সংসদের নেতারা। শুক্রবার দুপুরে পরিচালিত এই উদ্যোগ মুহূর্তেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।
সাধারণত হল প্রশাসন বা ছাত্রনেতাদের কার্যক্রম নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শোনা যায়। তবে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যেন সেই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে এক অন্যরকম বার্তা দিল—নেতৃত্ব মানেই শুধু দায়িত্ব নয়, বরং আন্তরিকতা আর সহমর্মিতার প্রকাশও হতে পারে। গাছের লিচু সবার মাঝে ভাগ করে দেওয়ার এই ছোট উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হলটির প্রোভোস্ট অধ্যাপক মো. জামিরুল ইসলাম, যিনি পুরো কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, এমন ছোট ছোট উদ্যোগই হল জীবনে আনন্দের রঙ যোগ করে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও নেতৃত্বের মধ্যে দূরত্ব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে, এই উদ্যোগ শুধু লিচু বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি—এটি হয়ে উঠেছে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত, যা দেখিয়ে দেয় মানবিকতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে একটি ক্যাম্পাস কতটা প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন