নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে স্বামী আক্তারুজ্জামান রুবেলকে (২৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নিহতের স্ত্রী মোছাঃ জেসমিন খাতুন (২৩) ও তাঁর বড় ভাই (নিহতের সম্মধি) মোঃ মিজানুর রহমান (৩৮)। বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-১৩ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ:
নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। র্যাব জানায়, বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ এপ্রিল সকালে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। ওই দিনই রুবেল স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। স্ত্রী জেসমিন, শ্যালক মিজানুরসহ আরও কয়েকজন মিলে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে রুবেলকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন।
চিকিৎসা ও মৃত্যু:
স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে রুবেল মৃত্যুবরণ করেন।
আইনি ব্যবস্থা:
এই ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব। অবশেষে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১-এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর থেকে আত্মগোপনে থাকা দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে স্বামী আক্তারুজ্জামান রুবেলকে (২৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নিহতের স্ত্রী মোছাঃ জেসমিন খাতুন (২৩) ও তাঁর বড় ভাই (নিহতের সম্মধি) মোঃ মিজানুর রহমান (৩৮)। বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-১৩ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ:
নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। র্যাব জানায়, বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ এপ্রিল সকালে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। ওই দিনই রুবেল স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। স্ত্রী জেসমিন, শ্যালক মিজানুরসহ আরও কয়েকজন মিলে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে রুবেলকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন।
চিকিৎসা ও মৃত্যু:
স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে রুবেল মৃত্যুবরণ করেন।
আইনি ব্যবস্থা:
এই ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব। অবশেষে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১-এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর থেকে আত্মগোপনে থাকা দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন