সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে প্রধানমন্ত্রী। সংসদে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: “কেউ ব্যর্থ হলে ব্যর্থ হবে পুরো বাংলাদেশ”
সংসদ দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার বা বিরোধী দল—যে পক্ষই ব্যর্থ হোক না কেন, তার প্রভাব গিয়ে পড়ে পুরো সংসদের ওপর, আর শেষ পর্যন্ত তা দেশের ব্যর্থতায় রূপ নেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংসদ মানেই সম্মিলিত দায়িত্ব ও অংশগ্রহণের একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে এক পক্ষের ব্যর্থতা অন্য পক্ষকে সফল করতে পারে না।
তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা উভয় পক্ষ আসুন, কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইবো না। আমরা সবাই মিলেই কিন্তু পূর্ণ সংসদ।” তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও তা যেন দেশের অগ্রগতির পথে বাধা না হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি-আপনি ব্যর্থ হলে অন্যজনও ব্যর্থ। এটি মনে রাখতে হবে। আমরা যেকোনো একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে।” তার মতে, সংসদের প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব শুধু নিজের দল নয়, বরং পুরো জাতির প্রতি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদের কোনো সদস্যই এমন বাংলাদেশ দেখতে চান না, যেখানে ব্যর্থতা প্রাধান্য পায়। তাই মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি কার্যত একটি সহযোগিতামূলক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছেন, যেখানে বিরোধ নয়, বরং সম্মিলিত সফলতাই হবে মূল লক্ষ্য।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে প্রধানমন্ত্রী। সংসদে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: “কেউ ব্যর্থ হলে ব্যর্থ হবে পুরো বাংলাদেশ”
সংসদ দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার বা বিরোধী দল—যে পক্ষই ব্যর্থ হোক না কেন, তার প্রভাব গিয়ে পড়ে পুরো সংসদের ওপর, আর শেষ পর্যন্ত তা দেশের ব্যর্থতায় রূপ নেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংসদ মানেই সম্মিলিত দায়িত্ব ও অংশগ্রহণের একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে এক পক্ষের ব্যর্থতা অন্য পক্ষকে সফল করতে পারে না।
তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা উভয় পক্ষ আসুন, কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইবো না। আমরা সবাই মিলেই কিন্তু পূর্ণ সংসদ।” তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও তা যেন দেশের অগ্রগতির পথে বাধা না হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি-আপনি ব্যর্থ হলে অন্যজনও ব্যর্থ। এটি মনে রাখতে হবে। আমরা যেকোনো একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে।” তার মতে, সংসদের প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব শুধু নিজের দল নয়, বরং পুরো জাতির প্রতি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদের কোনো সদস্যই এমন বাংলাদেশ দেখতে চান না, যেখানে ব্যর্থতা প্রাধান্য পায়। তাই মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি কার্যত একটি সহযোগিতামূলক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছেন, যেখানে বিরোধ নয়, বরং সম্মিলিত সফলতাই হবে মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন